
Kostori holud/কস্তুরি হলুদ(Regular)/100gram
৳ 230.00
কস্তুরি হলুদ
কাচা হলুদের অপেক্ষা ১০ গুন বেশি কার্যকর কস্তুরি হলুদ।যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন ত্বকের যত্নে কস্তুরি হলুদের ব্যবহার ব্যপক ভাবে বেড়ে গেছে। আর এখন বর্তমান যুগে হলুদ বলতে গেলে একটি ন্যাচারাল কসমেটিকস।
ত্বকের যত্নে উপকারিতাঃ
১.ব্রন দূর করে।
২.ত্বক উজ্জ্বল করে।
৩.লোমকুপের তেল কমাতে সাহায্য করে।
৪.চোখের নিচের কালোদাগ দূর করে।
৫.এটি এ্যান্টি- ট্যানের কাজ করে।
৬.ত্বক ফর্সা করে।
৭. স্ট্রেচ মার্ক দূর করে।
ব্যবহার বিধিঃ
* কস্তুরী হলুদ, মুলতানি মাটি এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক বানিয়ে মুখে ১৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
* পরিমান মত কস্তুরি হলুদে গুড়া, মুলতানি মাটি , কমলা খোসা গুড়া মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে লাগান। তৈলাক্ত ত্বকের যে কোনো সমস্যার সমাধান হবে।
* কস্তুরি হলুদ, ১চামচ এ্যালো অলিভ অয়েল ২/৩ ফোটা লেবুর রস ও গোলাপজল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান।
* কস্তুরী হলুদ পেস্ট বানিয়ে মুখে ২০ মিনিট রাখুন তারপর ধুয়ে ফেলুন ।
* শংখ গুড়া ও কস্তুরি হলুদ মিশিয়ে স্ট্রেচ মার্ক এর স্থানে লাগান।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Kostori holud/কস্তুরি হলুদ(Regular)/100gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Lentils Powder/মসুর ডাল গুড়া/(Regular)/100 gram
৳ 100.00
মসুর প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি ডাল। মসুর ডালে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন এ-সি-ই-কে ও থায়ামিন। ত্বকের যত্নে মসুর ডাল গুড়ার ব্যবহার : ১.মসুর ডাল গুড়া ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+গোলাপ+লাল চন্দন+পুনর্নভা গুড়া মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন। ২.মসুর ডাল খুব ভালে স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। মসুর ডাল+কমলা খোসা+চালের গুড়া+মধু/কাঁচা দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৩.ত্বক উজ্জল করার পাশাপাশি মসুর ডাল গুড়া ফেইস ওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+কস্তুরি হলুদ গুড়া একসাথে মিশিয়ে মুখে ১ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বকের সব ময়লা দূর হয়ে যাবে। ৪.মৃতকোষ দূর করতেও এটি বেশ কার্যকরি। মসুর ডাল+আমলকি+মেথি+কস্তুরি হলুদ+নিম গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৫.দাগ দূর করতে মসুর ডাল অনেকটা জাদুকরি। মসুর ডাল+মন্জিষ্ঠা+কস্তুরি হলুদ+দারচিনি+মুলতানি মাটি গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। মসুর ডাল প্রায় সবার ঘরেই থাকে। তাই এটি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকের যত্নে ব্যবহার করে আপনার ত্বককে করে তুলুন উজ্জ্বল, মসৃন ও দাগহীন।
অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram
৳ 160.00
বাড়িতে একটা অর্জুন গাছ থাকা মানে নাকি একজন ডাক্তারের বাড়িতে থাকা। এটি কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলা নয়। প্রাচীন যুগ থেকে রোগ নিরাময়ে অর্জুন গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার হয়ে আসছে। অর্জুন গাছের ছালে আছে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। এ ছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসাইড। এর পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অর্জুন গাছের ছালে আছে অনেক খনিজ উপাদান, যা আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে। অর্জুন গুড়ার গুনাগুনঃ *নিয়মিত অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে। *অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে। *অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। *আমাশয় হলে অর্জুন গাছের ছালের গুড়ো ছাগলের দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে। *প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম পানিতে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নি্লে হজম ক্ষমতা বাড়ে। *দাঁতের মাড়ির সমস্যার জন্য অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। *বুকের ধড়পড়ানি দূর করার জন্য অর্জুনের গুড়া গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। *মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে শরীরের বিভিন্ন ছিদ্র দিয়ে (নাক, কান, মুখ) রক্ত পড়ে। অর্জুনের গুড়া এই সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
মেথি একটি ঔষধি যা রন্ধনের একটি উপাদান। এর উৎস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ। চিকিৎসায়, বিশেষত আয়ুর্বেদ চিকিৎসায়, এর অসাধারণ গুণের জন্য মেথি ব্যবহৃত হয়। মেথি গুঁড়ার গুনাগুনঃ *রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে *দেহের ওজন হ্রাসে সহায়তা করে *মহিলাদের ক্ষেত্রে উপকারিতা-মাসিকের ব্যাথা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম *ব্যায়ামের কার্যকারিতা উন্নত করে *পাকস্থলীর পক্ষে উপকারী *সন্ধি-বাতের উপসর্গ থেকে আরাম দেয় *হজমের সমস্যা দূর করে যেমন ক্ষুধাহীনতা, পেটে গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা.
Potato Powder(Regular)/100 gram
৳ 200.00
রূপচর্চায় আলুর ব্যবহার অনেক পুরোনো। এটি পর্যাপ্ত পুষ্টিগুন সম্পন্ন হওয়ায় আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। অনেক বিউটিশিয়ানরাই আজও রূপচর্চার ঘরোয়া উপাদান হিসেবে আলু পছন্দ করেন। ত্বকের যত্নে আলুর উপকারীতা: ১.আলুতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ "পটাশিয়াম" যা আমাদের ত্বকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং চেহারার ময়েশ্চারাইজেশন বজায় রাখে। ২.এতে থাকা "ম্যাগনেসিয়াম" ত্বকের দাগ দূর করতে এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে ্ ৩.ত্বকের মধ্যে বিদ্যমান মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে। ৪."ভিটামিন বি৬" ত্বকের নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে। ৫.আলুকে বলা হয় ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ৬.ত্বকে বিদ্যমান কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ৭."ভিটামিন সি" এর উপস্থিতি চেহারায় কোলাজেন প্রোডাকশন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে ।
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে। ০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়। ০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়। ০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে। ০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। ০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়। ০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়। ০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী। ০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে। ১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।
Ginger Powder(Regular)/100 gram
৳ 130.00
Benefits of Ginger Powder: ১.এতে রয়েছে জিনজিয়াবিন এনজাইম যা প্রোটিন ভাঙ্গতে সহায়ক। ২.এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এটি একটি প্রাকৃতিক ব্যাথা-নাশক এবং জর প্রতিরোধী হিসেবেও কাজ করে। ৩.আদা শরীরের জোড়াগুলোতে সৃষ্ট ব্যাথা এবং আর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের প্রদাহ দূর করে। ৪.হাঁটুর অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো ব্যাপকহারে কমিয়ে আনে আদা। ৫.মাংসেপেশির ব্যাথা লাঘব করে । ৬.আদা আপনার মস্তিষ্ককে আলঝেইমার (স্নায়ুক্ষয়ী রোগ)থেকে রক্ষা করে। ৭.পেটফাঁপা দূর করে । ৮.আদা বমির উদ্রেককারী পাকস্থলির মোচড়ানোও দূর করে। ৯.আদা আপনার হজম শক্তি বাড়ায় এবং কষ্টকর এবং অস্বস্তিদায়ক পেট ফাঁপা থেকে রক্ষা করে। ১০.স্মৃতি শক্তি সংরক্ষণ করে । ১১.নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ব্যাথা লাঘব করে । ১২.মাইগ্রেনের ব্যাথাও দূর করে । ১৩.রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে স্ফীত হওয়া এবং চাপ সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখে। ১৪.আদা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ১৫.ভারী ব্যায়াম করার পর মাংসপেশিতে যে ব্যাথা সৃষ্টি হয় তা দূর করে আদা।
Amlaki Powder(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Amlaki Powder: ১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে। ২. আমলকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩. প্রতিদিন সকালে আমলকি পাউডারের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি পাউডার ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। ৫.আমলকি পাউডার এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। ৬. আমলকি কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকি উপকারী। ৮.প্রতিদিন আমলকি পাউডার খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো, মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী পাউডারের সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। ৯.ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। ১০. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।


Reviews
There are no reviews yet.