
Watermelon Seed/তরমুজের বীজ(Regular)/100 gram
৳ 150.00
তরমুজের বিচি আপনার শরীরের নানা উপকারে আসতে পারে। এককাপ তরমুজের শুকনো দানায় রয়েছে ৬০০ ক্যালোরি । তরমুজের বিচিতে রয়েছে শর্করা, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড খাদ্যআশঁসহ গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনস্ ও মিনারেলস্ যেমন: আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক, ফোলেট, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-বি৬ ইত্যাদি।
তরমুজ বীচির গুনাগুনঃ
১.ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে ।
২,মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে ।
৩.পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে ।
৪.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
৫.কম ক্যালোরি ।
৬.ভাল চর্বি ।
৭.হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
৮.তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Watermelon Seed/তরমুজের বীজ(Regular)/100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
Shikakai powder/শিকাকাই গুড়া(Regular)/100gram
৳ 280.00
ভারতীয় মেয়েরা শিকাকাই পাউডার ব্যপক পরিমাণে ব্যবহার করে৷ শিকাকাই একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক উপাদান যা দীর্ঘকাল ধরে চুলের পরিচর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ Benefits of Shikakai Powder: ১.শিকাকাইয়ে ভিটামিন সি রয়েছে যা মাথার ত্বকে শুষ্ক হতে দেয় না৷ ফলে খুশকি ও স্কাল্পের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ ২.এটি একালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করে চুলকে কালো ও ঝলমলে রাখতে সাহায্য করে৷ ৩.এতে অবস্থিত উপাদান চুলে ব্যবহার করার ফলে চুলের জট পড়ে না৷ফলে চুল ছিড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷ ৪.শিকাকাই ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক ভাবেই মাথায় নতুন চুল গজায় ও অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ হয়৷ ৫.শিকাকাইয়ে পিএইচ’য়ের মাত্রা অনেক কম পরিমাণে থাকে৷ এটি মাথার স্কাল্প পরিষ্কার করার একটি প্রকৃতিক উপায়৷
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
৳ 160.00
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন - *কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই *বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে *ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন *স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন *ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন *এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে * লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।
মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
মেথি একটি ঔষধি যা রন্ধনের একটি উপাদান। এর উৎস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ। চিকিৎসায়, বিশেষত আয়ুর্বেদ চিকিৎসায়, এর অসাধারণ গুণের জন্য মেথি ব্যবহৃত হয়। মেথি গুঁড়ার গুনাগুনঃ *রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে *দেহের ওজন হ্রাসে সহায়তা করে *মহিলাদের ক্ষেত্রে উপকারিতা-মাসিকের ব্যাথা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম *ব্যায়ামের কার্যকারিতা উন্নত করে *পাকস্থলীর পক্ষে উপকারী *সন্ধি-বাতের উপসর্গ থেকে আরাম দেয় *হজমের সমস্যা দূর করে যেমন ক্ষুধাহীনতা, পেটে গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা.
Mint leaves Powder/পুদিনা পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 280.00
Benefits of Mint leaf Powder: ১। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, মুখের অরুচি ও পেটের গ্যাস সমস্যা দূর করে। ২। পেটের পীড়া ও বদহজমে কার্যকরী। ৩। পুদিনা শরীরকে ঠান্ডা রাখে, তাৎক্ষণিক ক্লান্তি দূর করে। ৪।ব্রণ ও ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে। ৫।ত্বকের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের মত কাজ করে। ৬। পুদিনা পাতার চা পান করলে মাথাব্যথা, মাইগ্রেনের ব্যাথা সহ শরীরের যে কোন ব্যাথা উপশম হয়। সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। এছাড়াও পুদিনা চা ও জুস বানিয়েও খেতে পারেন।
তিশি গুড়া/Flaxseed powder(Regular) 100 gram
৳ 180.00
তিশি কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ তিসি বীজ। যার ইংরেজি নাম ফ্লেক্স সিড। আমরা যাকে তিসি হিসেবেই চিনে থাকি। তিসি বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার। তিসি বীজ ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস। আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের তিসি বীজ বেশি পাওয়া যায়। এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই তিসি খেয়ে থাকেন নানা ভাবে। তিশি গুড়ার গুনাগুনঃ *তিসি বীজ উচ্চমাত্রার আঁশ এবং কম শর্করাযুক্ত *সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য *ওজন কমাতে সাহায্য করে *কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে *তিশি বীজ গ্লুটেন ফ্রি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ *ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে *হজমক্রিয়াকে উন্নত করে *ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে *উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত। এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান। সোনা পাতার উপকারিতাঃ *কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। *গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। *কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি) *পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক । *ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়) *স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে। *উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। *রুচি বৃদ্ধি করে। *বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক, *চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। *পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি। ব্যবহার/সতর্কতাঃ অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়। সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি: সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে। এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে


Reviews
There are no reviews yet.