Tamarind seed powder/তেতুল বীজ গুঁড়া(Regular)/100gram
Benefits of Tamarind Seed Powder:
১. পুষ্টিকারক, শুক্রবর্ধক, প্রফুল্লতা আনয়নকারক লিউকোরিয়া, শুক্রমেহ, যৌনদুর্বলতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় কাজ করে।
২. হজমকারক, বায়ুনিঃসারক, পাকস্থলীর ব্যথা নিবারক।
ব্যবহারবিধি:
১.দেহের পুষ্টি সাধন ও সাধারন দুর্বলতায় , বীজ চূর্ণের সাথে ১ গ্রাম পরিমাণ শতমূলী চূর্ণ মিশিয়ে দুধসহ প্রত্যহ সকালে খালিপেটে ও রাত্রে শয়নকালে সেব্য।
২. শুক্রমেহ ও লিউকোরিয়ায় চূর্ণের সাথে ১ গ্রাম পরিমাণ তেঁতুল বীজ চূর্ন মিশিয়ে প্রত্যহ ২ বার দুধসহ সেব্য।
৩. যৌন ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় চূর্ণের সাথে ১ গ্রাম পরিমাণ অশ্বগন্ধা চূর্ণ ও ৩ চা চামচ মধু মিশিয়ে প্রত্যহ ২ বার সেব্য।
Thankuni leaves Powder/থানকুনি পাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram
Benefits of Thankuni leaf powder:
১.কাশির প্রকোপ কমে:২ চামচ থানকুনি পাতা পাউডারের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়।
২. চুল পড়ার হার কমে:সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে।
৩. ক্ষতের চিকিৎসা করে:থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।
৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।
৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৬. আমাশয়ের মতো সমস্যা দূর হয়:এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।
৭. পেটের রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভাল করে মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এই মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনও ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে ক্রিমির প্রকোপও কমে।
৮. টক্সিক উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়:নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।
৯. জ্বরের প্রকোপ কমে:জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।
১০. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়:হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।
Velvet Beans Powder/ভেলবেট বিন পাউডার/(Regular)100gram
Daily Requirement:20 gram
In the morning:2 teaspoon=10 gram
In the night:2 teaspoon=10 gram
Monthly Requirement:500 gram
You can take it with milk,ghee & water
ভেলভেট বিন একটি উদ্ভিদ এবং প্রোটিনের একটি ভাল উৎস।
Benefits of Velvet Beans Powder:
১.যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে ।
২.যৌন কার্যক্রম দীর্ঘায়িত করে ।
৩.লিঙ্গতে রক্ত স্রোত তৈরি করে।
৪.লিঙ্গ ইরেক্ট করে।
৫.বীর্যের উৎপাদন ও পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে।
৬.শুক্রাণুর গুণগতমান ও পরিমাণ বাড়ায়।
৭.বীর্যের গুণমান উন্নত করতে সহায়তা করে।
৮.শারীরবৃত্তীয় চাপ কমায়।
৯.অস্বাস্থ্যকর শুক্রাণু বা কম বীর্যসংখ্যাজনিত কারণে বন্ধ্যাত্ব নিরাময় করে।
১০.প্রজননজনিত অসুবিধা সমাধান করে।
১১.পার্কিনসনের মতো মস্তিষ্ক-সম্পর্কিত ব্যাধি সংশোধন করে।
১২.বাতের ব্যবস্থাপনায় উপকারী হতে পারে।
১৩.জয়েন্টগুলিতে ব্যথা এবং ফোলাভাব কমাতে সহায়তা করে।
১৪.রক্তে শর্করাকে কমিয়ে দিতে পারে।
১৫.আর্থ্রাইটিসে যৌথ ব্যথা হ্রাস করে।
১৬.ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলি সংশোধন করে।
১৭.পোকার কামড়ের বিষাক্ত প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।
১৮.ক্ষতের দ্রুত নিরাময়ে সহায়তা করে।
১৯.ফোলা হ্রাস করে, ত্বকের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনে।
২০.মাড়ির সমস্যা সমাধান করে।
২১.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ।.
২২.হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।
২৩.কিডনির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে খুব কার্যকর।
২৪.জরুরী অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করে।
২৫.এন্টি এজিং সুবিধা সরবরাহ করে।
২৬.হাইপারপিগমেন্টেশন নিরাময় করে।
২৭.ব্রণ এবং ফোড়াগুলি হ্রাস করে।
২৮.অ্যান্টি-ড্যানড্রাফ সলিউশন।
২৯.চুল পড়া রোধ করে।.
৩০.ক্যান্সারের কোষগুলির বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে।প্রোল্যাকটিন হরমোনের মাত্রা পরিচালনা করে স্তন ক্যান্সারের বিস্তার কমিয়ে দেয় ।
৩১.বাতের লক্ষণগুলি নিয়ন্ত্রণ করে।
Watermelon Seed/তরমুজের বীজ(Regular)/100 gram
তরমুজের বিচি আপনার শরীরের নানা উপকারে আসতে পারে। এককাপ তরমুজের শুকনো দানায় রয়েছে ৬০০ ক্যালোরি । তরমুজের বিচিতে রয়েছে শর্করা, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড খাদ্যআশঁসহ গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনস্ ও মিনারেলস্ যেমন: আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক, ফোলেট, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-বি৬ ইত্যাদি।
তরমুজ বীচির গুনাগুনঃ
১.ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে ।
২,মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে ।
৩.পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে ।
৪.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
৫.কম ক্যালোরি ।
৬.ভাল চর্বি ।
৭.হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
৮.তরমুজের বীজে থাকা একাধিক খনিজ গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষ উপকারী।
Wild Turmeric/কস্তুরি হলুদ/(Regular)100gram
কাচা হলুদের অপেক্ষা ১০ গুন বেশি কার্যকর কস্তুরি হলুদ।বর্তমান যুগে হলুদ হলো একটি ন্যাচারাল কসমেটিকস।যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন ত্বকের যত্নে কস্তুরি হলুদের ব্যবহার ব্যপক ভাবে বেড়ে গেছে।
Benefits of Wild Turmeric:
১.এ্যান্টি- ট্যানের কাজ করে।
২.ত্বক ফর্সা করে।
৩.লোমকুপের তেল কমাতে সাহায্য করে।
৪.ব্রন দূর করে।
৫.ত্বক উজ্জ্বল করে।
৬.চোখের নিচের কালোদাগ দূর করে।
৬.স্ট্রেচ মার্ক দূর করে।
ব্যবহার বিধিঃ
* কস্তুরি হলুদ, ১চামচ অলিভ অয়েল, ২/৩ ফোটা লেবুর রস ও গোলাপজল মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান।
*কস্তুরী হলুদ, মুলতানি মাটি এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটি মাস্ক বানিয়ে মুখে ১৫ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
* পরিমান মত কস্তুরি হলুদ পাউডার, মুলতানি মাটি , কমলা খোসা পাউডার মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে মুখে লাগান। তৈলাক্ত ত্বকের যে কোনো সমস্যার সমাধান হবে।
* শংখ পাউডার ও কস্তুরি হলুদ মিশিয়ে স্ট্রেচ মার্ক এর স্থানে লাগান।
* কস্তুরী হলুদ পেস্ট বানিয়ে মুখে ২০ মিনিট রাখুন তারপর ধুয়ে ফেলুন ।
সর্তকতা:কস্তুরি হলুদ খাওয়া যায় না।
অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram
বাড়িতে একটা অর্জুন গাছ থাকা মানে নাকি একজন ডাক্তারের বাড়িতে থাকা।
এটি কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলা নয়। প্রাচীন যুগ থেকে রোগ নিরাময়ে অর্জুন গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার হয়ে আসছে।
অর্জুন গাছের ছালে আছে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। এ ছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসাইড।
এর পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান।
অর্জুন গাছের ছালে আছে অনেক খনিজ উপাদান, যা আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।
অর্জুন গুড়ার গুনাগুনঃ
*নিয়মিত অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে।
*অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে।
*অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।
*আমাশয় হলে অর্জুন গাছের ছালের গুড়ো ছাগলের দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে।
*প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম পানিতে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নি্লে হজম ক্ষমতা বাড়ে।
*দাঁতের মাড়ির সমস্যার জন্য অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
*বুকের ধড়পড়ানি দূর করার জন্য অর্জুনের গুড়া গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।
*মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে শরীরের বিভিন্ন ছিদ্র দিয়ে (নাক, কান, মুখ) রক্ত পড়ে। অর্জুনের গুড়া এই সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
অশ্বগন্ধা গুড়া /Ossogondha powder(Regular)100 gram
আপনি যদি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করে থাকেন বা বিকল্প চিকিৎসায় বিশ্বাসী হন, তাহলে বহুবার অশ্বগন্ধার নাম শোনার সম্ভাবনা আছে। আর কেনই বা নয়? অশ্বগন্ধা হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী ভেষজ। মানসিক চাপের উপসর্গ বা দুশ্চিন্তার উপসর্গ কমাতে সাধারণ ভেষজের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা বেশি ব্যবহৃত হয়।
অশ্বগন্ধা গুড়ার গুনাগুনঃ
*অকাল বার্ধক্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া রোধ করে *সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা বাড়ায়।
*যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করে শুক্রাণু বৃদ্ধির কাজে, *ভ্যাজাইনাইটিস রোগের প্রতিকারে এবং স্তন বিকাশের প্রযোজনে অশ্বগন্ধাকে ব্যবহার করা হয়।
*অশ্বগন্ধা আর্থারাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, আলসার, ক্যান্সার, দুর্বলতা, অনিদ্রা, গ্যাসট্রোইন্টেস্টিনাল সমস্যা, ডায়াবেটিস, স্নায়ুবৈকল্য, কোষ্ঠকাঠিন্য, বার্ধক্যজনিত স্মৃতিবিভ্রাট ইত্যাদি সারাতে বা নিযন্ত্রণ করতে পারে।
*কেমোথেরাপি রোগীদের জন্যও উপকারী।
গোলাপের পাপড়ি গুড়া /Rose Petal Powder(Regular)100gram
স্পর্শকাতর ত্বক সুন্দর রাখার প্রথম শর্তই হচ্ছে বিশেষ যত্ন নেওয়া। গোলাপের পাপড়িচূর্ণ মূলত ফেস মাস্ক হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। শুকনা গোলাপ ফুলের পাপড়িচূর্ণ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। দূর করে ত্বকে থাকা নানা রকম দাগ।ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে ব্যবহার করুন গোলাপের পাপড়ি গুড়া
গোলাপ পাপড়ি গুড়ার গুনাগুন/ব্যবহারঃ
*ত্বকের কোমলতা বাড়াতে
*ময়েশ্চারাইজার হিসেবে
*ব্রণ দূর করতে
*ডার্ক সার্কেল দূর করতে
*সানস্ক্রিন হিসেবে
*হাতের যত্নে
*চুলের যত্নে
*ক্লিনজার/টোনার হিসেবে
তিশি গুড়া/Flaxseed powder(Regular) 100 gram
তিশি কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ
তিসি বীজ। যার ইংরেজি নাম ফ্লেক্স সিড। আমরা যাকে তিসি হিসেবেই চিনে থাকি।
তিসি বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার।
তিসি বীজ ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস।
আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের তিসি বীজ বেশি পাওয়া যায়।
এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই তিসি খেয়ে থাকেন নানা ভাবে।
তিশি গুড়ার গুনাগুনঃ
*তিসি বীজ উচ্চমাত্রার আঁশ এবং কম শর্করাযুক্ত
*সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য
*ওজন কমাতে সাহায্য করে
*কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে
*তিশি বীজ গ্লুটেন ফ্রি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
*ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
*হজমক্রিয়াকে উন্নত করে
*ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে
*উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
Benefits of Triphala powder:
১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে ।
৩.ওজন হ্রাস করে ।
৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে ।
৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে ।
৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে।
৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে।
৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে।
৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়।
মিথস্ক্রিয়া:
সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram
শুধু ত্বকের যত্নে নয় মুলতানি মাটি দিয়ে কেশ পরিচর্যাও করা যায়
রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার বহুদিনের।
এতে আছে তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা যা ত্বকে সতেজবভাব আনে।
এর ম্যাগ্নেশিয়াম ক্লোরাইড ত্বক ঠাণ্ডা ও মসৃণ রাখে। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি মুলতানি মাটি চুল ও মাথার ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
মুলতানি মাটির গুনাগুনঃ
*শরীর এক্সফলিয়েট করতে: সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার।
বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে।
*তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি তেল শুষে নেয়। তাই এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন।
*দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না।
পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
*চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি।
এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত।
*শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি।
মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram
মেথি একটি ঔষধি যা রন্ধনের একটি উপাদান। এর উৎস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ। চিকিৎসায়, বিশেষত আয়ুর্বেদ চিকিৎসায়, এর অসাধারণ গুণের জন্য মেথি ব্যবহৃত হয়।
মেথি গুঁড়ার গুনাগুনঃ
*রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে
*দেহের ওজন হ্রাসে সহায়তা করে
*মহিলাদের ক্ষেত্রে উপকারিতা-মাসিকের ব্যাথা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম
*ব্যায়ামের কার্যকারিতা উন্নত করে
*পাকস্থলীর পক্ষে উপকারী
*সন্ধি-বাতের উপসর্গ থেকে আরাম দেয়
*হজমের সমস্যা দূর করে যেমন ক্ষুধাহীনতা, পেটে গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা.
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু।
যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে
যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন -
*কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই
*বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে
মুখের দুর্গন্ধ দূর করে
*ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন
*স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন
*ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন
*এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে
* লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে
খাবার নিয়মাবলিঃ
সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
শিমুল মুল গুড়া /Shimul root powder(Regular)100 gram
শিমুল একটি অতিপরিচিত গাছ।শিমুল মূল পুরুষদের যাবতিও যৌন সমস্যা দূর করে মনে কে শতেজ করে যৌন জীবনকে সুখি করে শরীরে স্বাভাবিক যৌন শক্তি যোগায়,জিন সিং যে কাজ করে শিমুল মূলও ঐ একই কাজ করে। এছাড়াও এই গাছের রয়েছে নানারকম ঔষধি গুণ। ভেষজ চিকিৎসা কাজে এই গাছের আছে নানবিধ ব্যবহার।
গুনাবলীঃ
*যাদের যৌন ক্ষমতা কম তারা এই গাছের মূলের চূর্ণ খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়।
*পুরুষের শারীরিক দুর্বলতা যৌন দুর্বলতা শুক্রতারল্য দ্রুত বীর্যপাত এক কথায় সুস্থ যৌন জীবনের জন্যে শিমুল মূল কার্যকরী
*জন্ডিস ,মহিলাদের লিকুরিয়া জন্যে ভাল কাজ করে,
*শিমুল মূলের গুড়া- শুক্রবর্ধক, প্রদর ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে কার্যকর।
* বলকারক, কামোদ্দীপক, মলরোধক।
*মেছতা, উদরাময় ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে উপকারী।
তবে সাথে সাথেই এর ফল পাবেন না ধীরে ধীরে পাবেন কমপক্ষে ১ মাস খেলে ফল পাবেন
খাবার নিয়মাবলিঃ
রাতে ১ চামচ গুড়া আধা গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, সকালে শুধু পানি টুকু খাবেন ও নিচে জমানো অংশ ফেলে দিবেন। একই প্রনালী তে রাতেও খাবেন,অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।
সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে।
০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।
০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।
০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।
০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।
০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।
০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।
০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।
০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।
১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।
খাবার নিয়মাবলিঃ
সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত।
এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান।
সোনা পাতার উপকারিতাঃ
*কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
*গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
*কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি)
*পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক ।
*ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়)
*স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে।
*উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
*রুচি বৃদ্ধি করে।
*বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক,
*চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক।
*পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি।
ব্যবহার/সতর্কতাঃ
অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন।
বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়।
সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি:
সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে।
এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে
