কাঠবাদাম ময়দা /Almond Flour(Regular)1 kg
আমাদের ব্লাঙ্কেড কাঠবাদাম ময়দা হ’ল গমের আটার বিকল্প স্বল্প কার্ব, আঠালো-মুক্ত বেকিং বিকল্প।
আমাদের বৃহত্তম, প্রিমিয়াম ব্লাঙ্কড বাদাম দিয়ে তৈরি, এই ময়দা দক্ষতার সাথে খুব সূক্ষ্ম সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে তৈরি।
আসলে, আমাদের বাদামের ময়দা এটির মধ্যে অন্যতম সেরা গ্রাইন্ড। প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত।
স্বাস্থ্য সুবিধাসমুহ:
1.বাদামের আটাতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, ম্যাঙ্গানিজ শরীরের রক্ত ঠিকভাবে জমাট বাঁধাতে সহায়তা করে, আঘাতের পরে এটি নিরাময় করতে দেয়।
ম্যাঙ্গানিজ শরীরকে কার্বোহাইড্রেট এবং কোলেস্টেরল ছিন্ন করতে সহায়তা করে।
2.বাদামের ময়দাও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ, যা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা আরও ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
3.বাদামের ময়দা মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। কোলেস্টেরল হ্রাস হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে।
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিন 50 গ্রাম বাদাম খান তাদের মহিলাদের চেয়ে কোলেস্টেরল কম থাকে।
4.বাদামের ময়দা কম গ্লাইসেমিক সূচক খাদ্য। গমের আটার সাথে তুলনা করলে বাদামের আটাতে শর্করা ও শর্করা কম থাকে।
বাদামের আটাতে স্যুইচ করা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে চিনির মাত্রা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
5.বাদামের ময়দাতে প্রচুর পরিমাণে প্রাইবায়োটিক ডায়েটারি ফাইবার থাকে। এই জাতীয় ফাইবারটি আপনার ক্ষুদ্রান্ত্রের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হজম হয়।
পর্যাপ্ত প্রিবিওটিক ডায়েটরি ফাইবার প্রাপ্তি একটি স্বাস্থ্যকর, আরও দক্ষ পাচনতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে।
কাঠবাদাম ময়দা /Almond Flour(Regular)250 gram
আমাদের ব্লাঙ্কেড কাঠবাদাম ময়দা হ'ল গমের আটার বিকল্প স্বল্প কার্ব, আঠালো-মুক্ত বেকিং বিকল্প।
আমাদের বৃহত্তম, প্রিমিয়াম ব্লাঙ্কড বাদাম দিয়ে তৈরি, এই ময়দা দক্ষতার সাথে খুব সূক্ষ্ম সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে তৈরি।
আসলে, আমাদের বাদামের ময়দা এটির মধ্যে অন্যতম সেরা গ্রাইন্ড। প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত।
স্বাস্থ্য সুবিধাসমুহ:
1.বাদামের আটাতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, ম্যাঙ্গানিজ শরীরের রক্ত ঠিকভাবে জমাট বাঁধাতে সহায়তা করে, আঘাতের পরে এটি নিরাময় করতে দেয়।
ম্যাঙ্গানিজ শরীরকে কার্বোহাইড্রেট এবং কোলেস্টেরল ছিন্ন করতে সহায়তা করে।
2.বাদামের ময়দাও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ, যা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা আরও ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
3.বাদামের ময়দা মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। কোলেস্টেরল হ্রাস হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে।
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিন 50 গ্রাম বাদাম খান তাদের মহিলাদের চেয়ে কোলেস্টেরল কম থাকে।
4.বাদামের ময়দা কম গ্লাইসেমিক সূচক খাদ্য। গমের আটার সাথে তুলনা করলে বাদামের আটাতে শর্করা ও শর্করা কম থাকে।
বাদামের আটাতে স্যুইচ করা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে চিনির মাত্রা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
5.বাদামের ময়দাতে প্রচুর পরিমাণে প্রাইবায়োটিক ডায়েটারি ফাইবার থাকে। এই জাতীয় ফাইবারটি আপনার ক্ষুদ্রান্ত্রের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হজম হয়।
পর্যাপ্ত প্রিবিওটিক ডায়েটরি ফাইবার প্রাপ্তি একটি স্বাস্থ্যকর, আরও দক্ষ পাচনতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে।
কাঠবাদাম ময়দা /Almond Flour(Regular)500 gram
BD Online Bazzar সবসময়ই আপনাদের পছন্দ মতো পণ্য দিয়ে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় এখন আমরা আপনাদের চাহিদানুযায়ী পণ্য দিচ্ছি কাঠবাদাম ময়দা ।
আমাদের ব্লাঙ্কেড কাঠবাদাম ময়দা হ'ল গমের আটার বিকল্প স্বল্প কার্ব, আঠালো-মুক্ত বেকিং বিকল্প।
আমাদের বৃহত্তম, প্রিমিয়াম ব্লাঙ্কড বাদাম দিয়ে তৈরি, এই ময়দা দক্ষতার সাথে খুব সূক্ষ্ম সামঞ্জস্যের ভিত্তিতে তৈরি।
আসলে, আমাদের বাদামের ময়দা এটির মধ্যে অন্যতম সেরা গ্রাইন্ড। প্রোটিন এবং ফাইবারযুক্ত।
স্বাস্থ্য সুবিধাসমুহ:
1.বাদামের আটাতে থাকা ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান করতে পারে।
উদাহরণস্বরূপ, ম্যাঙ্গানিজ শরীরের রক্ত ঠিকভাবে জমাট বাঁধাতে সহায়তা করে, আঘাতের পরে এটি নিরাময় করতে দেয়।
ম্যাঙ্গানিজ শরীরকে কার্বোহাইড্রেট এবং কোলেস্টেরল ছিন্ন করতে সহায়তা করে।
2.বাদামের ময়দাও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ, যা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা আরও ভালভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।
3.বাদামের ময়দা মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। কোলেস্টেরল হ্রাস হৃদরোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে।
একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে মহিলারা প্রতিদিন 50 গ্রাম বাদাম খান তাদের মহিলাদের চেয়ে কোলেস্টেরল কম থাকে।
4.বাদামের ময়দা কম গ্লাইসেমিক সূচক খাদ্য। গমের আটার সাথে তুলনা করলে বাদামের আটাতে শর্করা ও শর্করা কম থাকে।
বাদামের আটাতে স্যুইচ করা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে চিনির মাত্রা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।
5.বাদামের ময়দাতে প্রচুর পরিমাণে প্রাইবায়োটিক ডায়েটারি ফাইবার থাকে। এই জাতীয় ফাইবারটি আপনার ক্ষুদ্রান্ত্রের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হজম হয়।
পর্যাপ্ত প্রিবিওটিক ডায়েটরি ফাইবার প্রাপ্তি একটি স্বাস্থ্যকর, আরও দক্ষ পাচনতন্ত্রের দিকে পরিচালিত করে।
কালোজিরার তেল/Black Seed Oil(Regular)110 ml
কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা।কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। যা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। কালজিরার তেলে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান বিদ্যমান আছে লিনোলিক, অলিক, স্টিয়ারিক, লিনোলিনিক,এসিড, প্রোটিন, নিজেলোন, গ্লুটামিক এসিড। এছাড়াও রয়েছে- নিজেলিন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, কেলসিয়াম, সোডিয়াম, মেগনেসিয়াম। কালোজিরা, সকল রোগের মহা ঔষধ।
কালোজিরা তেলের গুনাগুনঃ
*স্মরণ শক্তি বৃদ্ধিতে
*মাথা ব্যাথা নিরাময়ে
*সর্দি সারাতে
*বাতের ব্যাথা দূরীকরণ
*বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে
*হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে
*ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখতে
*অর্শ রোগ নিরাময়ে
*শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে
*ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে
*যৌন শক্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে
*অনিয়মিত মাসিক সারাতে
*মায়ের দুধ বৃদ্ধি করতে
*গ্যাষ্ট্রীক বা আমাশয় নিরাময়ে
*ত্বকের আদ্রতার বাড়াতে
*জন্ডিস বা লিভারের বিভিন্ন সমস্যার দূরীকরণে
*পিঠের ব্যাথা দূর করতে
*চুল পড়া বন্ধ করতে
*দাঁত ব্যথা দূরীকরণে
*শান্তিপূর্ণ নিদ্রার জন্য
খেজুরের ঝোলা গুড়/Date molasses (Regular)1kg
শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য।
আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়।
বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি।
খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন।
হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী।
খেজুরের গুড় শরীরের ভেতর থেকে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ।
গুড়ের উপকারিতা অনেক:
১.প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খেলে হজম তাড়াতাড়ি হয়।
গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।
২.শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় ।
প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে।
৩.প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন।
প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে।
৪.গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে।
৫. গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে।
ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা।
ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়।
৬.গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।
খেজুরের টফি গুড়/Toffee molasses(Regular)1kg
শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য।
আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়।
বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি।
খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন।
হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী।
খেজুরের গুড় শরীরের ভেতর থেকে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ।
গুড়ের উপকারিতা অনেক:
১.প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খেলে হজম তাড়াতাড়ি হয়।
গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়।
২.শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় ।
প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে।
৩.প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন।
প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে।
৪.গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে।
৫. গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে।
ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা।
ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়।
৬.গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।
খেজুরের পাটালি গুড়/ Date Patali Molasses (Regular) 1 kg
শীতকাল আসলেই মনে পড়ে যায় খেজুরের গুড়ের কথা
পন্যের নামঃ
খেজুরের পাটালি গুড়
শীতের অপেক্ষার মূলেই বাঙালির থাকে পিঠা-পায়েস খাওয়া। এই দারুণ স্বাদের মিষ্টি খাবারগুলো তৈরি হয় খেজুর গুড়ে।
বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে অন্যতম খেজুরের গুড়।খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন। হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী।
তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ।
গুড় খাবেন আপনি, গুড়ের খাটি মানের নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমরা ।
অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন অথবা কল করুন
০১৯২৭৯৭৫৬৪০,
গোলাপের পাপড়ি গুড়া /Rose Petal Powder(Regular)100gram
স্পর্শকাতর ত্বক সুন্দর রাখার প্রথম শর্তই হচ্ছে বিশেষ যত্ন নেওয়া। গোলাপের পাপড়িচূর্ণ মূলত ফেস মাস্ক হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। শুকনা গোলাপ ফুলের পাপড়িচূর্ণ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। দূর করে ত্বকে থাকা নানা রকম দাগ।ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে ব্যবহার করুন গোলাপের পাপড়ি গুড়া
গোলাপ পাপড়ি গুড়ার গুনাগুন/ব্যবহারঃ
*ত্বকের কোমলতা বাড়াতে
*ময়েশ্চারাইজার হিসেবে
*ব্রণ দূর করতে
*ডার্ক সার্কেল দূর করতে
*সানস্ক্রিন হিসেবে
*হাতের যত্নে
*চুলের যত্নে
*ক্লিনজার/টোনার হিসেবে
চাকের মধু/Chuck honey(Regular)/1kg
স্বাস্থ্যের জন্য মধুর উপকারিতা :
স্বাস্থ্যের জন্যে মধুর উপকারিতা নানারকম ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মধুর নানা ঔষধিক গুণ রয়েছে।
মধুর উপকারিতা:
১. এস্থেমার জন্যে ।
২. সর্দি কাশি কমাতে ।
৩. চুলের জন্য ।
৪. কাটা, ছেড়া জ্বালা কমাতে ।
৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ।
৬. ত্বকের জন্য ।
৭. শরীরে শক্তি প্রদান করতে ।
৮. হাড়ের জন্যে ।
৯. রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে ।
১০. হার্টের সমস্যায় ।
মধু খাওয়ার নিয়ম:
১.ফল অথবা সবজির স্যালাড মধু মিশিয়ে খেতে খুব ভালো লাগে।
২.চা অথবা কফিতে চিনি ব্যবহার না করে মধু ব্যবহার করে পান করতে পারেন।
৩.দুধ পান করার আগে তার মধ্যে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৪.প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ গরম জলে এক চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন।
৫.মধু, তুলসী পাতা ও আম একসাথে পেস্ট করে জলে গুলে শরবত করে পান করতে পারেন।
৬.আরেকটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে আদার রস, লেবুর রস ও মধু জলে মিশিয়ে পান করলে দারুণ শারীরিক উপকারিতা পাবেন।
জয়তুন তেল / Olive oil(Regular)200 ml
কোরআনে বর্ণিত ফলগুলোর অন্যতম একটি ফল জলপাই বা জয়তুন।প্রিয় নবী (সা.)-এর পছন্দের ফলগুলোর একটি ছিল জয়তুন। এর তেলও শরীরের জন্য বেশ উপকারী। রাসুল (সা.) তা নিজে ব্যবহার করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও ব্যবহার করার তাগিদ দিতেন। হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা (জয়তুনের) তেল খাও এবং তা শরীরে মালিশ করো। কেননা এটি বরকত ও প্রাচুর্যময় গাছের তেল। (তিরমিজি, হাদিস : ১৮৫১)
জয়তুন তেলের গুনাগুনঃ
*ক্লোষ্টোরেল এবং গুড ক্লোষ্টোরেল নিয়ন্ত্রণ হয়
*পাকস্থলীর জন্য খুব ভালো।
*শরীরের এসিড কমায়
*সাধারণত সন্তান হওয়ার পর মহিলাদের পেটে সাদা রঙের স্থায়ী দাগ পড়ে যায় । গর্ভধারণ করার পর থেকেই পেটে জয়তুন তেল মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে না। এটা একটা পরীক্ষিত ব্যাপার।
*ত্বক কুঁচকানো প্রতিরোধ হয় ।
*খাবারে জয়তুন তেল ব্যবহার করলে ক্লোন ক্যান্সার (Colon cancer)প্রতিরোধ হয়।
*মেয়েদের রূপ বর্ধনের জন্য এটা অনেকটা কার্যকর।
*জয়তুন তেল যে কোষ্ঠ কাঠিন্য কমে, তা ইবনুল কাইয়্যূম তার “The Medicine of the Prophet (sm.)” বইয়ে তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন ।
তিশি গুড়া/Flaxseed powder(Regular) 100 gram
তিশি কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ
তিসি বীজ। যার ইংরেজি নাম ফ্লেক্স সিড। আমরা যাকে তিসি হিসেবেই চিনে থাকি।
তিসি বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার।
তিসি বীজ ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস।
আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের তিসি বীজ বেশি পাওয়া যায়।
এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই তিসি খেয়ে থাকেন নানা ভাবে।
তিশি গুড়ার গুনাগুনঃ
*তিসি বীজ উচ্চমাত্রার আঁশ এবং কম শর্করাযুক্ত
*সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য
*ওজন কমাতে সাহায্য করে
*কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে
*তিশি বীজ গ্লুটেন ফ্রি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
*ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
*হজমক্রিয়াকে উন্নত করে
*ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে
*উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
Benefits of Triphala powder:
১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে ।
৩.ওজন হ্রাস করে ।
৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে ।
৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে ।
৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে।
৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে।
৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে।
৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়।
মিথস্ক্রিয়া:
সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
নারকেল ময়দা /Coconut Flour(Regular)1kg
নারকেল ময়দা কি?
নারকেল ময়দা শুকনো নারকেল মাংস থেকে তৈরি একটি নরম ময়দা।
নারকেলের দুধ যখন নারকেলের মাংস থেকে চেপে নেওয়া হয়, তখন এই
মাংসটি কম তাপমাত্রায় শুকানো হয় এবং মাটিতে একটি আটাতে পরিণত করা হয় যা বেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত।
নারকেল ময়দা স্বাস্থ্য উপকারী
1) নারকেল ময়দা প্রাকৃতিকভাবে আঠালো-মুক্ত, এটি তাদের জন্য একটি জনপ্রিয় উপাদান হিসাবে আঠালো অ্যালার্জি রয়েছে বা তাদের ডায়েট থেকে গ্লুটেনকে নির্মূল করতে চায়।
এতে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ পুষ্টির পরিমাণ রয়েছে যা এটিকে গমের আখের জন্য একটি দুর্দান্ত প্রতিস্থাপন করে।
২) ইনোভেটিভ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড ইমারজিং টেকনোলজিসে 2006 সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারকেল আটাতে উপস্থিত ফাইবারের উপাদান কোলেস্টেরল স্তর হ্রাস এবং
ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে কার্যকর ।
3) নারকেলের ময়দার মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে কম গ্লাইসেমিক সূচক থাকে কারণ তারা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আরও ভাল।
ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে বেকড পণ্যগুলিতে নারকেলের ময়দার পরিমাণ বাড়িয়ে খাবারের গ্লাইসেমিক সূচককে হ্রাস করে।
নারকেল ময়দা/Coconut flour(Regular)500gram
নারকেল ময়দা কি?
নারকেল ময়দা শুকনো নারকেল মাংস থেকে তৈরি একটি নরম ময়দা।
নারকেলের দুধ যখন নারকেলের মাংস থেকে চেপে নেওয়া হয়, তখন এই
মাংসটি কম তাপমাত্রায় শুকানো হয় এবং মাটিতে একটি আটাতে পরিণত করা হয় যা বেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত।
নারকেল ময়দা স্বাস্থ্য উপকারী
1) নারকেল ময়দা প্রাকৃতিকভাবে আঠালো-মুক্ত, এটি তাদের জন্য একটি জনপ্রিয় উপাদান হিসাবে আঠালো অ্যালার্জি রয়েছে বা তাদের ডায়েট থেকে গ্লুটেনকে নির্মূল করতে চায়।
এতে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ পুষ্টির পরিমাণ রয়েছে যা এটিকে গমের আখের জন্য একটি দুর্দান্ত প্রতিস্থাপন করে।
২) ইনোভেটিভ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড ইমারজিং টেকনোলজিসে 2006 সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারকেল আটাতে উপস্থিত ফাইবারের উপাদান কোলেস্টেরল স্তর হ্রাস এবং
ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে কার্যকর ।
3) নারকেলের ময়দার মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে কম গ্লাইসেমিক সূচক থাকে কারণ তারা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আরও ভাল।
ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে বেকড পণ্যগুলিতে নারকেলের ময়দার পরিমাণ বাড়িয়ে খাবারের গ্লাইসেমিক সূচককে হ্রাস করে।
নিমের তেল/Neem Oil(Regular)100ml
নিম তেলে এমন অনেক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের জন্য চরম উপকারী।
উপকারিতা:
১.শুষ্ক ত্বক এবং ত্বক টান টান করে ।
২.দাগ কমায় ।
৩.ব্রণ চিকিৎসা করে ।
৪. খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
৫.একজিমা হ্রাস করে ।
৬.ক্ষত আরোগ্য লাভ করে।
৭.এটি চুলের স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধিকে উৎসাহ দেয় ।
৮.এটি পা ছত্রাক থেকে লড়াই করে ।
৯.ওয়ার্টস এবং মোলগুলি হ্রাস করে ।
বাকরখানি (Bakarkhani)১ কেজি
বাকরখানি ময়দা দিয়ে তৈরি রুটি জাতীয় খাবার বিশেষ। এটি বাংলাদেশের পুরান ঢাকাবাসীদের সকালের নাস্তা হিসাবে একটি অতি প্রিয় খাবার। বর্তমানে সবার কাছেই এটি একটি প্রিয় খাবার।ময়দার খামির থেকে রুটি বানিয়ে তা মচমচে বা খাস্তা করে ভেজে বাকরখানি তৈরি করা হয়। ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের বাকরখানি রয়েছে। তৈরীর বিশেষত্য অনুযায়ী বাকরখানির ভিন্ন ভিন্ন নামও আছে। যেমন- নিমসুকা, খাসতা ইত্যাদি।
যা দিয়ে খাওয়া হয়:
বাকরখানি রুটি চায়ের সাথে খাওয়ার প্রচলন বেশী। এছাড়াও মাংসের তরকারীর সাথে, হোক সে গরু ,খাশী অথবা মুরগীর, বাকরখানি রুটি এ যেন সোনায় সোহাগা। ক্ষীর এবং পায়েশের সাথেও এই রুটি পরিবেশন করা হয়ে থাকে।
