
View cart “Ginger Powder(Regular)/100 gram” has been added to your cart.
মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
মেথি একটি ঔষধি যা রন্ধনের একটি উপাদান। এর উৎস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ। চিকিৎসায়, বিশেষত আয়ুর্বেদ চিকিৎসায়, এর অসাধারণ গুণের জন্য মেথি ব্যবহৃত হয়।
মেথি গুঁড়ার গুনাগুনঃ
*রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে
*দেহের ওজন হ্রাসে সহায়তা করে
*মহিলাদের ক্ষেত্রে উপকারিতা-মাসিকের ব্যাথা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম
*ব্যায়ামের কার্যকারিতা উন্নত করে
*পাকস্থলীর পক্ষে উপকারী
*সন্ধি-বাতের উপসর্গ থেকে আরাম দেয়
*হজমের সমস্যা দূর করে যেমন ক্ষুধাহীনতা, পেটে গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা.
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka
And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে।
উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি-
১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত।
২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়।
৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা।
৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে।
৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন।
৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে।
৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন।
৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
Hibiscus Flower Powder/জবাফুল পাউডার(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Hibiscus Flower Powder:
১.চুলকে কালো করার পাশাপাশি ঘন ও ঝলমলে করে তুলতে জবা অনেক উপকারি। প্যাক হিসেবে -
জবা পাউডার+মেথি পাউডার+রিঠা পাউডার+ভৃঙ্গরাজ পাউপার+তুলসী পাউডার +ডিমের সাদা অংশ একসাথে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন।
২.জবা ফুলে ভিটামিন সি এর পাশাপাশি ভিটামিন এ ও আছে। এটি মাথার ত্বকের চুলকানি উপশম করতে সাহায্য করে। সেজন্য ১ লিটার পানিতে ৪ চা চামচ জবা পাউডার ফুটিয়ে ছেকে নিয়ে সে পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিলে হবে।
৩.জবা ফুলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম। তাই এটি চুলের গোড়াকে শক্ত করতে সহায়তা করে। নারিকেল তেলের সাথে জবা পাউডার ফুটিয়ে সে তেল চুলের গোড়ায় দিলে চুলের গোড়া শক্ত হয়।
৪.জবা ফুল প্রাকৃতিক ভাবে চুলকে কালো রাখতে সহায়তা করে। অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধে জবা বেশ কার্যকরি। সেজন্য প্যাক হিসেবে-
জবা পাউডার+আমলকি পাউডার+শিকাকাই পাউডার+অশ্বগন্ধা পাউডার+হরতকি পাউডার মিশিয়ে চুলে লাগাবেন।
৫.প্রাকৃতিক এন্টি ইনফ্ল্যামাটরি উপাদান ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ জবা ভেতর থেকে ব্রণের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। প্যাক হিসেবে-
জবা পাউডার+নিম পাউডার+সজনে পাউডার +দারচিনি পাউডার+যষ্টিমধু পাউডার একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।
৬.ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে এবং বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। প্যাক হিসেবে-
জবা পাউডার +আমলকি পাউডার+মেথি পাউডার+গোলাপ পাউডার +মধু/লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।
অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram
৳ 160.00
বাড়িতে একটা অর্জুন গাছ থাকা মানে নাকি একজন ডাক্তারের বাড়িতে থাকা।
এটি কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলা নয়। প্রাচীন যুগ থেকে রোগ নিরাময়ে অর্জুন গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার হয়ে আসছে।
অর্জুন গাছের ছালে আছে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। এ ছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসাইড।
এর পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান।
অর্জুন গাছের ছালে আছে অনেক খনিজ উপাদান, যা আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।
অর্জুন গুড়ার গুনাগুনঃ
*নিয়মিত অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে।
*অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে।
*অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।
*আমাশয় হলে অর্জুন গাছের ছালের গুড়ো ছাগলের দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে।
*প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম পানিতে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নি্লে হজম ক্ষমতা বাড়ে।
*দাঁতের মাড়ির সমস্যার জন্য অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
*বুকের ধড়পড়ানি দূর করার জন্য অর্জুনের গুড়া গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।
*মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে শরীরের বিভিন্ন ছিদ্র দিয়ে (নাক, কান, মুখ) রক্ত পড়ে। অর্জুনের গুড়া এই সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
Cardamom Powder(Regular)/100 gram
৳ 500.00
এলাচ একটি তীব্র, কিছুটা মিষ্টি স্বাদযুক্ত একটি মশলা।এটি বিশ্বব্যাপী উপলভ্য এবং মিষ্টি এবং মজাদার উভয় রেসিপিগুলিতে ব্যবহৃত হয় ।
Benefits of Cardamom Powder:
১. এলাচির নির্যাস উন্নত লিভার এনজাইম, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে পারে।
২. আলসার সহ ডাইজেটিভ সমস্যাগুলিতে সহায়তা করতে পারে।
৩. দীর্ঘস্থায়ী রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাবগুলির জন্য ।
৪. খারাপ শ্বাস প্রশ্বাস এবং গহ্বর প্রতিরোধ করতে পারে।
৫.ক্যান্সার-লড়াইয়ে সহায়তা করতে পারে।
৬. রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে পারে।
৭.অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল প্রভাব এবং সংক্রমণের প্রতিকার করতে পারে।
৮.শ্বাস এবং অক্সিজেনের ব্যবহার উন্নত করতে পারে।
৯.অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে।
১০.লিভার বৃদ্ধি এবং লিভারের ওজনও রোধ করতে পারে।
১১.এলাচের নির্যাস উদ্বেগজনক আচরণগুলি রোধ করতে পারে।
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত।
এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান।
সোনা পাতার উপকারিতাঃ
*কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।
*গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
*কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি)
*পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক ।
*ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়)
*স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে।
*উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
*রুচি বৃদ্ধি করে।
*বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক,
*চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক।
*পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি।
ব্যবহার/সতর্কতাঃ
অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন।
বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়।
সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি:
সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে।
এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে
Proteins Powder/প্রোটিন পাউডার(Regular) /250 gram
৳ 400.00
সুস্থ থাকতে মানুষের দেহের প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য দশমিক ৮ গ্রাম করে প্রতিদিন প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দেয় স্বাস্থ্যবিজ্ঞান। এ ক্ষেত্রে প্রোটিনের অভাব পূরণ করে দিতে পারে প্রোটিন পাউডার।
উপাদানঃ কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম ,চিয়াসিড এর মতো আরও ৯টি উপাদান দিয়ে তৈরি।
উপকারিতাঃ
১.আনহেলদি মাসল কে শক্তিশালী রিহেলদি মাসল এ পরিনত করে
২.রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বর্ধায়ক
৩.মাসল জয়েন্ট স্ট্রং করে
৪.পুরুষের শারীরিক শক্তি বর্ধায়ক
৫.ক্লান্তিবোধ দূর করে
৬.শারীরিক গ্রোথ বৃদ্ধি করে
৭.হার্টের সুস্থতায় কার্যকরী
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান।
১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব
শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী!
কুমড়োর বীজের গুণ:
১. ওজন কমাতে সাহায্য করে ।
২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে।
৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে।
৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে।
৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে।
৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ।
৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে।
৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে।
১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়।
সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে।
০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।
০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।
০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।
০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।
০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়।
০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়।
০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী।
০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে।
১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে।
১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে।
খাবার নিয়মাবলিঃ
সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।


Reviews
There are no reviews yet.