Tangail Soft Silk Saree (PBS-705)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Soft Silk Saree (PBS-878)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Soft Cotton Saree (KTB-13723)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Soft Cotton Saree (KTB-13724)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Soft Silk Saree (PBS-569)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Tat Cotton (ABS-1591)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Tangail Tat Cotton (ABS-1592)
Add 01927975640 This number for order through Whatsapp
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/1 kg
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন ।
ত্বীন ফলের বেনিফিট:
১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে।
৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে ।
১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।
১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।
১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/100 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন ।
ত্বীন ফলের বেনিফিট:
১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে।
৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে ।
১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।
১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।
১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/250 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন ।
ত্বীন ফলের বেনিফিট:
১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে।
৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে ।
১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।
১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।
১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/500 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন ।
ত্বীন ফলের বেনিফিট:
১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে।
২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে।
৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে।
৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে।
৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে।
৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।
৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়।
৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়।
৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী।
১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে ।
১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে।
১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।
১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে।
১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে।
১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে।
১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Thankuni leaves Powder/থানকুনি পাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram
Benefits of Thankuni leaf powder:
১.কাশির প্রকোপ কমে:২ চামচ থানকুনি পাতা পাউডারের সঙ্গে অল্প করে চিনি মিশিয়ে খেলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি কমে যায়।
২. চুল পড়ার হার কমে:সপ্তাহে ২-৩ বার থানকুনি পাতা খেলে স্কাল্পের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। ফলে চুল পড়ার মাত্রা কমতে শুরু করে।
৩. ক্ষতের চিকিৎসা করে:থানকুনি পাতা শরীরে উপস্থিত স্পেয়োনিনস এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কোথাও কেটে গেলে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে অল্প করে থানকুনি পাতা বেঁটে লাগিয়ে দেবেন। দেখবেন নিমেষে কষ্ট কমে যাবে।
৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:থানকুনি পাতা হজম ক্ষমতারও উন্নতি হবে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে থানকুনি পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ যাতে টিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।
৫. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্য়াটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিকাল ত্বকের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিনের ঔজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৬. আমাশয়ের মতো সমস্যা দূর হয়:এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে নিয়ম করে থানকুনি পাতা খেতে হবে। প্রথমে পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা বেটে নিন। তারপর সেই রসের সঙ্গে অল্প করে চিনি মেশান। এই মিশ্রনটি দু চামচ করে, দিনে দুবার খেলেই দেখবেন কষ্ট কমে যাবে।
৭. পেটের রোগের চিকিৎসায় কাজে আসে:অল্প পরিমাণ আম গাছের ছালের সঙ্গে ১ টা আনারসের পাতা, হলুদের রস এবং পরিমাণ মতো থানকুনি পাতা ভাল করে মিশিয়ে ভাল করে বেটে নিন। এই মিশ্রনটি নিয়মিত খেলে অল্প দিনেই যে কোনও ধরনের পেটের অসুখ সেরে যায়। সেই সঙ্গে ক্রিমির প্রকোপও কমে।
৮. টক্সিক উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়:নানাভাবে সারা দিন ধরে একাধিক ক্ষতিকর টক্সিন আমাদের শরীরে, রক্তে প্রবেশ করে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে অল্প পরিমাণ থানকুনি পাতার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানগুলি বেরিয়ে যায়। ফলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।
৯. জ্বরের প্রকোপ কমে:জ্বরের সময় ১ চামচ থানকুনি এবং ১ চামচ শিউলি পাতার রস মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে অল্প সময়েই জ্বর সেরা যায়। সেই সঙ্গে শারীরিক দুর্বলতাও কমে।
১০. গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হয়:হাফ লিটার দুধে ২৫০ গ্রাম মিশ্রি এবং অল্প পরিমাণে থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে একটা মিশ্রন তৈরি করে ফেলুন। তারপর সেই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে প্রতিদিন সকালে খাওয়া শুরু করুন। এমনটা এক সপ্তাহ করলেই দেখবেন উপকার মিলবে।
TOHAYIE i12 Bluetooth Earphone
Product details of TOHAYIE i12 Bluetooth Headset TWS Bluetooth 5.0 Noise Cancelling Touth Control Earphone With Charging Box Bluetooth version:V5.0+EDRWireless
TOHAYIE i12 Bluetooth Headset TWS Bluetooth 5.0
Noise Cancelling Touth Control Earphone With Charging Box 26 Ratings
Tokma/তোকমা(Regular)/100 gram
তোকমা দানার বিভিন্ন উপকারিতা :
১. সুস্থ ত্বক ও চুল:এটি নানা চর্মরোগ নিরাময়ে কাজ করে। এটি একজিমা এবং সোরিয়াসিস নিরাময়ে কার্যকর।
সুস্থ চুলের জন্য এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।
২.পুষ্টিগুণ:প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ, ক্যালসিয়াম, থিয়ামিন, ম্যাংগানিজ, দস্তা, ফসফরাস, ভিটামিন-বি, ফোলেইট এবং রিবোফ্ল্যাভিন রয়েছে।যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করবে।
৩. হজম প্রক্রিয়া সম্পন্ন :তোকমা দানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় ৪০ গ্রাম খাদ্য আাঁশ পাওয়া যায়।আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।পেটের পীড়া, প্রদাহ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের শক্তি সরবরাহ করে। এক মুঠো তোকমা দানা বাদাম, শুকনো ফলের সঙ্গে মিশ্রণ তৈরি করে খেলে দীর্ঘক্ষণ আপনাকে ক্ষুধামুক্ত রাখবে। যা ক্ষুধা দমন, অসময়ে ক্ষুধার যন্ত্রণা, অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়।
৫.এসিডিটি দূর করে:তোকমা এসিডিটি দূর করতেও কার্যকর। এটি পেটের এসিড নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালাপোড়া দূর করে। এ জন্য পানিতে সামান্য তোকমা বীজ ভিজিয়ে রেখে পান করতে হবে।
৬.খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান প্রদাহ, ক্যানসার কোষ প্রতিরোধ এবং বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে।এক চামচ তোকমা দানায় আমাদের শরীরের জন্য প্রতিদিনের দরকারি ৩০ শতাংশ ম্যাংগানিজ এবং ১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।
৭.দেহের তাপ কমায়:তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে। এটি সুস্বাদু করার জন্য চিনি, মধু এবং কোথাও কোথাও নারিকেল দুধ দেওয়া হয়।
৮. রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:তোকমা দানা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল উৎপন্ন করে এবং রক্তে চর্বির পরিমাণ কমায়। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে, সুস্থ হার্ট এবং হাড় গঠনে সহায়তা করে।
৯. পরিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে:তোকমার বীজ পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলে সেটা ফুলে, বড় হয়ে তার শরীরের বাইরের আবরণে জেলী জাতীয় পদার্থ তৈরি করে।খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে ।কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া অথবা আমাশয়ের মতো পেটের সমস্যাতে তোকমার বীজ খুবই উপকারী।তোকমা বীজের তেল গ্যাস্টিক আলসার সমস্যার জন্যে উপকারী ।
১০.ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যা দূর করতে:তোকমা বীজে রয়েছে অ্যান্টি-স্পাজমোডিক (Antispasmodic) প্রভাব। যা ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যার দূর করতে কার্যকরী। তোকমাতে থাকে অ্যান্টি-ফাইরেটিক (Antipyretic) জ্বর কমাতে সাহায্য করে থাকে।
১১. হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য এবং দুশ্চিন্তা কমাতে কাজ করে:তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-হাইপারলিপিডেমিক (Antihyperlipidemic) কার্যক্রম কোলেস্টেরল এর সমস্যা কমিয়ে থাকে। তোকমা বীজের তেল লক্ষণীয়ভাবে হাই লিপিড প্রোফাইল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। যার ফলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। এছাড়াও আয়ুর্বেদে দুশ্চিন্তা কমাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তোকমা।
১২. মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে:প্রদাহ-বিরোধী উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতরের প্রদাহ, ইনফেকশ এবং আলসারসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যায় তোকমা দারুণ কাজ করে থাকে। তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতর একদম ফ্রশ থাকে। বিশেষ করে মুখের ভেতর কোন ইনফেকশন, দাঁতের ক্ষয় রোগ (ক্যাভিটিজ) এবং মুখের দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে না।
ব্যবহারের কিছু নিয়ম ও সতর্কতা:
তোকমা খাওয়ার পূর্বে তোকমা বীজ পানিতে ভালোভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
বীজগুলো একদম বড় হয়ে ফুলে উঠলে এরপর সেটা খাওয়া যাবে।
শিশুদের এটা খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।
যেহেতু এটা বেশ পিচ্ছিল হয়ে যায় ভেজানোর পর।
গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তোকমা গ্রহণ করা উচিৎ।
প্রতিদিন তোকমা বীজ খেতে চাইলে এক চা চামচ গ্রহণ করা যথেস্ট হবে ।
Transparent Luminous pvc waterproof bag for mobile phone
Product details of Transparent Luminous pvc waterproof bag for mobile phone Luminous Case IPX8 Waterproof case Support up to 6
