Be the first to review “অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram” Cancel reply
অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram
৳ 160.00
বাড়িতে একটা অর্জুন গাছ থাকা মানে নাকি একজন ডাক্তারের বাড়িতে থাকা।
এটি কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলা নয়। প্রাচীন যুগ থেকে রোগ নিরাময়ে অর্জুন গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার হয়ে আসছে।
অর্জুন গাছের ছালে আছে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। এ ছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসাইড।
এর পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান।
অর্জুন গাছের ছালে আছে অনেক খনিজ উপাদান, যা আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে।
অর্জুন গুড়ার গুনাগুনঃ
*নিয়মিত অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে।
*অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে।
*অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন।
*আমাশয় হলে অর্জুন গাছের ছালের গুড়ো ছাগলের দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে।
*প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম পানিতে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নি্লে হজম ক্ষমতা বাড়ে।
*দাঁতের মাড়ির সমস্যার জন্য অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।
*বুকের ধড়পড়ানি দূর করার জন্য অর্জুনের গুড়া গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।
*মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে শরীরের বিভিন্ন ছিদ্র দিয়ে (নাক, কান, মুখ) রক্ত পড়ে। অর্জুনের গুড়া এই সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
Category: Herbs
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Conch powder/শঙখ গুঁড়া(Regular)100 gram
৳ 180.00
সৌন্দর্য চর্চায় শঙ্খের মত কার্যকরী উপাদান খুব কমই আছে। শঙ্খ গুড়া আপনাকে ব্রণ বিহীন ত্বক থেকে শুরু করে ইনস্ট্যান্ট ফেয়ারনেস পর্যন্ত দিতে সক্ষম। চুলের যত্নে: শঙ্খ গুড়া সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখা পানির সাথে গোলাপজল মেশান। এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় থাকবে আর চুল থাকবে মসৃণ। ত্বকের যত্নে: ১.সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে প্রতিদিন সকালে আপনার ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এটা বিভিন্ন চর্মরোগ, র্যাস, আল্যারজি সারাতে সাহায্য করে। ২.ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে ও রিঙ্কেল দূর করতে প্রতিদিন গোসলের সময় শঙ্খ গুঁড়া আর সমপরিমাণ মুলতানি মাটি পানিতে মিশিয়ে মুখে আর ঘাড়ে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ৩.শঙ্খ গুঁড়া গোলাপ জলের সাথে পরিমাণ মত মিশিয়ে চোখের নিচে সাবধানে লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার আগেই আবার ধুয়ে ফেলুন। আপনার চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে যাবে। ৪.আপনার বিভিন্ন প্যাকের সাথে এক চিমটি করে শঙ্খ গুঁড়া যোগ করে তারপর ব্যবহার করুন। ত্বকের কালো ভাব দূর হওয়ার সাথে সাথে ব্রণের উপদ্রপও দূরে থাকবে। শঙ্খ গুঁড়া ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে। ৫.মিহি করে বাটা আধা চামচ চালের গুঁড়ার সাথে সমপরিমাণ শঙ্খ গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ভালো স্ক্রাবের সাথে সাথে এটা আপনার সানট্যান দূর করে আপনাকে দেবে ফর্সা ত্বক। ৬.সানট্যান, ব্রণের দাগ ও শ্যামলা ত্বক থেকে মুক্তি পেতে জন্য আধা চামচ মুলতানি মাটি, আধা চামচ শঙ্খ গুঁড়া, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া আর আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। খুব দ্রুত ফল পাবেন। সতর্কতা: সবসময় মনে রাখবেন শঙ্খ গুঁড়া কখনই সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করবেন না। এটা খুব সুক্ষ পাউডার হলেও এতে আপনার ত্বক কেটে যেতে পারে। যাদের ত্বক সংবেদনশীল তারা এটা ব্যবহার না করলেই ভালো করবেন। সবসময় শঙ্খ গুঁড়া সমপরিমাণ মুলতানি মাটি, বেসন বা চালের গুঁড়ার সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে শঙ্খ গুঁড়ার কার্যকারিতা কমে যাবে না।
তিশি গুড়া/Flaxseed powder(Regular) 100 gram
৳ 180.00
তিশি কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ তিসি বীজ। যার ইংরেজি নাম ফ্লেক্স সিড। আমরা যাকে তিসি হিসেবেই চিনে থাকি। তিসি বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার। তিসি বীজ ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস। আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের তিসি বীজ বেশি পাওয়া যায়। এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই তিসি খেয়ে থাকেন নানা ভাবে। তিশি গুড়ার গুনাগুনঃ *তিসি বীজ উচ্চমাত্রার আঁশ এবং কম শর্করাযুক্ত *সুন্দর ত্বক ও চুলের জন্য *ওজন কমাতে সাহায্য করে *কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে *তিশি বীজ গ্লুটেন ফ্রি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ *ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে *হজমক্রিয়াকে উন্নত করে *ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে *উচ্চ মাত্রার ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ
মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram
৳ 200.00
শুধু ত্বকের যত্নে নয় মুলতানি মাটি দিয়ে কেশ পরিচর্যাও করা যায় রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার বহুদিনের। এতে আছে তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা যা ত্বকে সতেজবভাব আনে। এর ম্যাগ্নেশিয়াম ক্লোরাইড ত্বক ঠাণ্ডা ও মসৃণ রাখে। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি মুলতানি মাটি চুল ও মাথার ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। মুলতানি মাটির গুনাগুনঃ *শরীর এক্সফলিয়েট করতে: সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার। বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে। *তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি তেল শুষে নেয়। তাই এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন। *দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না। পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। *চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত। *শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি- ১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। ২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়। ৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। ৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। ৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন। ৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে। ৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
Amlaki Powder(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Amlaki Powder: ১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে। ২. আমলকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩. প্রতিদিন সকালে আমলকি পাউডারের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি পাউডার ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। ৫.আমলকি পাউডার এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। ৬. আমলকি কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকি উপকারী। ৮.প্রতিদিন আমলকি পাউডার খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো, মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী পাউডারের সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। ৯.ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। ১০. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
শিমুল মুল গুড়া /Shimul root powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
শিমুল একটি অতিপরিচিত গাছ।শিমুল মূল পুরুষদের যাবতিও যৌন সমস্যা দূর করে মনে কে শতেজ করে যৌন জীবনকে সুখি করে শরীরে স্বাভাবিক যৌন শক্তি যোগায়,জিন সিং যে কাজ করে শিমুল মূলও ঐ একই কাজ করে। এছাড়াও এই গাছের রয়েছে নানারকম ঔষধি গুণ। ভেষজ চিকিৎসা কাজে এই গাছের আছে নানবিধ ব্যবহার। গুনাবলীঃ *যাদের যৌন ক্ষমতা কম তারা এই গাছের মূলের চূর্ণ খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। *পুরুষের শারীরিক দুর্বলতা যৌন দুর্বলতা শুক্রতারল্য দ্রুত বীর্যপাত এক কথায় সুস্থ যৌন জীবনের জন্যে শিমুল মূল কার্যকরী *জন্ডিস ,মহিলাদের লিকুরিয়া জন্যে ভাল কাজ করে, *শিমুল মূলের গুড়া- শুক্রবর্ধক, প্রদর ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে কার্যকর। * বলকারক, কামোদ্দীপক, মলরোধক। *মেছতা, উদরাময় ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে উপকারী। তবে সাথে সাথেই এর ফল পাবেন না ধীরে ধীরে পাবেন কমপক্ষে ১ মাস খেলে ফল পাবেন খাবার নিয়মাবলিঃ রাতে ১ চামচ গুড়া আধা গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, সকালে শুধু পানি টুকু খাবেন ও নিচে জমানো অংশ ফেলে দিবেন। একই প্রনালী তে রাতেও খাবেন,অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত। এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান। সোনা পাতার উপকারিতাঃ *কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। *গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। *কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি) *পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক । *ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়) *স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে। *উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। *রুচি বৃদ্ধি করে। *বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক, *চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। *পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি। ব্যবহার/সতর্কতাঃ অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়। সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি: সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে। এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে
Ginger Powder(Regular)/100 gram
৳ 130.00
Benefits of Ginger Powder: ১.এতে রয়েছে জিনজিয়াবিন এনজাইম যা প্রোটিন ভাঙ্গতে সহায়ক। ২.এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং এটি একটি প্রাকৃতিক ব্যাথা-নাশক এবং জর প্রতিরোধী হিসেবেও কাজ করে। ৩.আদা শরীরের জোড়াগুলোতে সৃষ্ট ব্যাথা এবং আর্থ্রাইটিসে আক্রান্তদের প্রদাহ দূর করে। ৪.হাঁটুর অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলো ব্যাপকহারে কমিয়ে আনে আদা। ৫.মাংসেপেশির ব্যাথা লাঘব করে । ৬.আদা আপনার মস্তিষ্ককে আলঝেইমার (স্নায়ুক্ষয়ী রোগ)থেকে রক্ষা করে। ৭.পেটফাঁপা দূর করে । ৮.আদা বমির উদ্রেককারী পাকস্থলির মোচড়ানোও দূর করে। ৯.আদা আপনার হজম শক্তি বাড়ায় এবং কষ্টকর এবং অস্বস্তিদায়ক পেট ফাঁপা থেকে রক্ষা করে। ১০.স্মৃতি শক্তি সংরক্ষণ করে । ১১.নারীদের ঋতুস্রাবকালীন ব্যাথা লাঘব করে । ১২.মাইগ্রেনের ব্যাথাও দূর করে । ১৩.রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোকে স্ফীত হওয়া এবং চাপ সৃষ্টি করা থেকে বিরত রাখে। ১৪.আদা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ১৫.ভারী ব্যায়াম করার পর মাংসপেশিতে যে ব্যাথা সৃষ্টি হয় তা দূর করে আদা।


Reviews
There are no reviews yet.