Sagai Khajur/সাগাই খেজুর/(Regular)1kg
Benefits of Dates: ১ .দুর্বলতা দূর হয় । ২. স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে । ৩. গ্লুকোজ এর ঘাটতি পূরণ করে । ৪. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী । ৫.খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী । ৬. খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে । ৭.ত্বক ভালো রাখে । ৮.হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক । ৯. রুচি বাড়ায় । ১০. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে । ১১.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ১২.খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ১৩.নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক । ১৪.মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে । ১৫.ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে। ১৬.পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী। ১৭.মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ১৮.মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে। ১৯.বদহজম দূর হয়। । ২০.উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী। ২১.খেজুর দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। ২২.খেজুরে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে। ২৩.খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন , মিনারেল ও আয়রন । ২৪.খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম বিদ্যমান যা আমাদের শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সচল রাখার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় । ২৫.খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহয়তা করে।
Sesame oil/তিলের তেল(Regular)/110ml
তিল গাছের পুষ্টিকর গুণাবলী তিলকে "তেলবীজের রানী" হিসাবে ভাবতে অনুপ্রাণিত করে।পেডালিয়াসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত, একদল গাছ তাদের ভোজ্য বীজের জন্য কাটা হয়, এর বৈজ্ঞানিক নাম সেসামাম ইনডাম।তিলের তেল কাঁচা, চাপা তিল থেকে তৈরি করা হয় এবং এতে রন্ধনসম্পর্কীয়, ঔষধি এবং প্রসাধনী ব্যবহার রয়েছে । তিলের তেলের সুবিধা: ১.অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি। তিলের তেলে রয়েছে সিসামল এবং সিসামিনল, দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্বাস্থ্যের উপর শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে ২.রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে । ৩.বাত চিকিৎসায় সাহায্য করে । ৪.ঘুমের মান উন্নত করতে পারে। ৫.ক্ষত এবং পোড়া নিরাময়ে সহায়তা করতে পারে। ৬.শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ৭.ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারে। ৮.হৃদয়ের জন্য ভাল। ৯.টপিকাল অ্যাপ্লিকেশন ব্যথা উপশম করতে পারে। ১০.চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। ১১.তিলের তেল বিভিন্ন ধরণের খাবারে সুস্বাদু এবং বাদামের গন্ধ যুক্ত করে।
Sesame Oil/তিলের তেল/(Regular)/250ml
Benefits of Sesame oil: ১.অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি। তিলের তেলে রয়েছে সিসামল এবং সিসামিনল, দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্বাস্থ্যের উপর শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে। ২.ঘুমের মান উন্নত করতে পারে। ৩.বাত চিকিৎসায় সাহায্য করে । ৪.রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে । ৫.ক্ষত এবং পোড়া নিরাময়ে সহায়তা করতে পারে। ৬.শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ৭.ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারে। ৮.হার্টের জন্য উপকারি। ৯.টপিকাল অ্যাপ্লিকেশন ব্যথা উপশম করতে পারে। ১০.চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। ১১.তিলের তেল খাবারে বাদামের গন্ধ যুক্ত করে।
Sesame Oil/তিলের তেল/(Regular)/500ml
Benefits of Sesame oil: ১.অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ বেশি। তিলের তেলে রয়েছে সিসামল এবং সিসামিনল, দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা স্বাস্থ্যের উপর শক্তিশালী প্রভাব ফেলতে পারে। ২.ঘুমের মান উন্নত করতে পারে। ৩.বাত চিকিৎসায় সাহায্য করে । ৪.রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে । ৫.ক্ষত এবং পোড়া নিরাময়ে সহায়তা করতে পারে। ৬.শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ৭.ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে পারে। ৮.হার্টের জন্য উপকারি। ৯.টপিকাল অ্যাপ্লিকেশন ব্যথা উপশম করতে পারে। ১০.চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে। ১১.তিলের তেল খাবারে বাদামের গন্ধ যুক্ত করে
Sugarcane molasses Indian/আখের গুঁড়(Regular)/1 kg
উপকারিতা: ১.রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায় । ২.চিনির বিকল্প হিসেবে খাওয়া যায়। ৩.লিভার ডিটক্সিফিকেশন করে । ৪.হজমে সাহায্য করে । ৫.রক্তাস্বল্পতা প্রতিরোধ করে । সর্তকতা: ডায়াবেটিস রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করুন ।
Sugarcane sugar/আখের চিনি(Regular)/1 kg
আখের চিনি/ লাল চিনি হলো সরাসরি আখ থেকে তৈরি অপরিশোধিত চিনি। লাল চিনিতে থাকে আখের সব উপাদান। যেমনঃশর্করা,ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,লৌহ,ম্যাঙ্গানিজ,উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড,জিঙ্ক,থায়ামিন,রিবোফ্লবিন,ফলিক এসিড, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ইত্যাদি। আখের চিনি/ লাল চিনির উপকারী দিক : ১.প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম থাকার কারণে হাড় শক্ত হয়। ২. জন্ডিসের প্রকোপ কমায়। ৩. লিভার সুস্থ রাখে। ৪.আখে থাকা অ্যালকেলাইন প্রপাটিজ গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৫.কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর করে। ৬.শরীরের মিনারেল তথা খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে,যা স্ট্রোক প্রতিরোধ করে। ৭. দাঁতের স্বাস্থ্যেরও উন্নতি ঘটে। ক্যাভিটি এবং ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হওয়ার আশঙ্কাও দূর হয়। ৮.আখের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং শরীরের ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বের করে দেয়। ৯.শরীরের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে। সাদা চিনির ক্ষতিকর দিক : ১) যেহেতু পরিশোধনের সময় চিনির মিনারেল বা প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান দূর হয়ে যায়। তাই সহজেই বলা যায়,এতে করে মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। নিউরন কোষগুলো ধীরে ধীরে মারা যায়। যা স্ট্রোক ঘটায়। ২) ভিটামিন সরিয়ে ফেলায় শরীর পুষ্টি উপাদান পায় না। ৩) সাদা চিনিতে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্রুক্টোজ থাকে। ফ্রুক্টোজ হজম করাতে সাহায্য করে লিভার বা কলিজা। কিন্তু অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভার হজম করাতে না পারায় লিভারে তা ফ্যাট আকারে জমা হয়। এতে করে লিভার ড্যামেজ বা লিভার নষ্ট হয়ে যায়। ৪) চিনি পরিশোধনে ব্যবহার হয় সালফার আর হাড়ের গুড়ো যা কিডনি বিকলাঙ্গ করে দেয়। ৫) সালফার ইনসুলিন নিঃসরণে প্রধান বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে শরীরের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিস হয়।
Talmakhna/তালমাখনা(Regular)/100 gram
তালমখানা, স্থানীয় ভাষায় কোকিলক্ষ নামে পরিচিত।ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত। এর মধ্যে কয়েকটিতে ইক্ষুরা, ইক্ষুরাকা, কোকিলক্ষ ও কুলি সংস্কৃত, বাংলা ভাষায় কুলেখড়া, হিন্দিতে একখারো, তালমাখনা, কান্নার নির্মুলি, কোলাভুলিকে, কোলভানকে, মালায়ালামের ভায়ালকুলি, নির্চুলি, তালিমখানায়, কোলিরখায়, কোরিলেখায়, কোইলিরখায় তামিল ভাষায় নেরুগোবি, এবং গোব্বি। উপকারিতা: ১.দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে। ২.চোখের সমস্যা প্রতিকার করে । ৩.পুরুষ যৌন কর্মের চিকিৎসা করে । ৪.মূত্রনালীর ব্যাধিগুলি নিরাময় করে । ৫.পুরো শরীরকে পুনরুজ্জীবিত করে । ৬.পেশী শক্তি উন্নত করে । ৭.অত্যধিক তৃষ্ণা থেকে মুক্তি দেয়। ৮.পেটের টিউমারগুলিতে উপকার করে । ৯.দুর্বলতা এবং ক্লান্তি হ্রাস করে । ১০.জন্ডিস প্রতিরোধ করে । ১১.স্বাদ উন্নত করে । ১২.পুষ্টির পক্ষে ভাল । ১৩জ্বলনকে মুক্তি দেয় । ১৪উদ্বেগ এবং হতাশা প্রতিরোধ করে । ১৫.স্ট্যামিনা বাড়ায় ।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/1 kg
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । ত্বীন ফলের বেনিফিট: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে। ১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/100 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । ত্বীন ফলের বেনিফিট: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে। ১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/250 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । ত্বীন ফলের বেনিফিট: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে। ১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Teen Fruit/ত্বীন ফল(Regular)/500 gram
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ডুমুর রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম । স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । ত্বীন ফলের বেনিফিট: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. মারণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৩. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৪.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ৫.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ৬.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ৭.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৮.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৯.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১০.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১১.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ১২.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ১৩.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে। ১৪.প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় ত্বীন ফল কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৫.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ১৭.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম।
Tokma/তোকমা(Regular)/100 gram
তোকমা দানার বিভিন্ন উপকারিতা : ১. সুস্থ ত্বক ও চুল:এটি নানা চর্মরোগ নিরাময়ে কাজ করে। এটি একজিমা এবং সোরিয়াসিস নিরাময়ে কার্যকর। সুস্থ চুলের জন্য এটি নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। ২.পুষ্টিগুণ:প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে লৌহ, ক্যালসিয়াম, থিয়ামিন, ম্যাংগানিজ, দস্তা, ফসফরাস, ভিটামিন-বি, ফোলেইট এবং রিবোফ্ল্যাভিন রয়েছে।যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বিপাক প্রক্রিয়া বৃদ্ধি করবে। ৩. হজম প্রক্রিয়া সম্পন্ন :তোকমা দানায় পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম তোকমা দানায় ৪০ গ্রাম খাদ্য আাঁশ পাওয়া যায়।আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।পেটের পীড়া, প্রদাহ এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। ৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ: শরীরের শক্তি সরবরাহ করে। এক মুঠো তোকমা দানা বাদাম, শুকনো ফলের সঙ্গে মিশ্রণ তৈরি করে খেলে দীর্ঘক্ষণ আপনাকে ক্ষুধামুক্ত রাখবে। যা ক্ষুধা দমন, অসময়ে ক্ষুধার যন্ত্রণা, অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ হয়। ৫.এসিডিটি দূর করে:তোকমা এসিডিটি দূর করতেও কার্যকর। এটি পেটের এসিড নিয়ন্ত্রণ করে জ্বালাপোড়া দূর করে। এ জন্য পানিতে সামান্য তোকমা বীজ ভিজিয়ে রেখে পান করতে হবে। ৬.খনিজ পদার্থ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান প্রদাহ, ক্যানসার কোষ প্রতিরোধ এবং বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে।এক চামচ তোকমা দানায় আমাদের শরীরের জন্য প্রতিদিনের দরকারি ৩০ শতাংশ ম্যাংগানিজ এবং ১৮ শতাংশ ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। ৭.দেহের তাপ কমায়:তোকমা গরমকালে দেহের তাপমাত্রা কমাতে সহায়তা করে। আর এ কারণে গরম আবহাওয়ার দেশগুলোতে বহু মানুষ তোকমার শরবত পান করে। এটি সুস্বাদু করার জন্য চিনি, মধু এবং কোথাও কোথাও নারিকেল দুধ দেওয়া হয়। ৮. রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ:তোকমা দানা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, শরীরের জন্য উপকারী কোলেস্টেরল উৎপন্ন করে এবং রক্তে চর্বির পরিমাণ কমায়। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে, সুস্থ হার্ট এবং হাড় গঠনে সহায়তা করে। ৯. পরিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে:তোকমার বীজ পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলে সেটা ফুলে, বড় হয়ে তার শরীরের বাইরের আবরণে জেলী জাতীয় পদার্থ তৈরি করে।খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে ।কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া অথবা আমাশয়ের মতো পেটের সমস্যাতে তোকমার বীজ খুবই উপকারী।তোকমা বীজের তেল গ্যাস্টিক আলসার সমস্যার জন্যে উপকারী । ১০.ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যা দূর করতে:তোকমা বীজে রয়েছে অ্যান্টি-স্পাজমোডিক (Antispasmodic) প্রভাব। যা ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যার দূর করতে কার্যকরী। তোকমাতে থাকে অ্যান্টি-ফাইরেটিক (Antipyretic) জ্বর কমাতে সাহায্য করে থাকে। ১১. হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য এবং দুশ্চিন্তা কমাতে কাজ করে:তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-হাইপারলিপিডেমিক (Antihyperlipidemic) কার্যক্রম কোলেস্টেরল এর সমস্যা কমিয়ে থাকে। তোকমা বীজের তেল লক্ষণীয়ভাবে হাই লিপিড প্রোফাইল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে। যার ফলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। এছাড়াও আয়ুর্বেদে দুশ্চিন্তা কমাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তোকমা। ১২. মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে:প্রদাহ-বিরোধী উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতরের প্রদাহ, ইনফেকশ এবং আলসারসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যায় তোকমা দারুণ কাজ করে থাকে। তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতর একদম ফ্রশ থাকে। বিশেষ করে মুখের ভেতর কোন ইনফেকশন, দাঁতের ক্ষয় রোগ (ক্যাভিটিজ) এবং মুখের দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে না। ব্যবহারের কিছু নিয়ম ও সতর্কতা: তোকমা খাওয়ার পূর্বে তোকমা বীজ পানিতে ভালোভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে। বীজগুলো একদম বড় হয়ে ফুলে উঠলে এরপর সেটা খাওয়া যাবে। শিশুদের এটা খাওয়ানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু এটা বেশ পিচ্ছিল হয়ে যায় ভেজানোর পর। গর্ভবতী নারীদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তোকমা গ্রহণ করা উচিৎ। প্রতিদিন তোকমা বীজ খেতে চাইলে এক চা চামচ গ্রহণ করা যথেস্ট হবে ।
Turmeric Powder/হলুদ গুঁড়া(Regular)/1kg
Benefits of Turmeric Powder: ১.হলুদ একটি প্রাকৃতিক প্রদাহ বিরোধী । ২.ক্যান্সার বিরোধী প্রভাব রয়েছে। ৩.শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে । ৪.সর্দি কাশিতে হলুদ খুব ভালো কাজ করে । ৫.আর্থ্রাইটিস রোগীরা কার্কুমিন সাপ্লিমেন্টগুলিতে খুব ভাল সাড়া দেয় । ৬.ত্বকের যত্নে হলুদ সহায়তা করে। ৭.হলুদে থাকা কার্কুমিন আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে । ৮.কার্কুমিন আলঝাইমারজনিত রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় কার্যকর হতে পারে । ৯.শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব রয়েছে।
Turmeric Powder/হলুদ গুঁড়া(Regular)/500gram
Benefits of Turmeric Powder: ১.হলুদ একটি প্রাকৃতিক প্রদাহ বিরোধী । ২.ক্যান্সার বিরোধী প্রভাব রয়েছে। ৩.শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে । ৪.সর্দি কাশিতে হলুদ খুব ভালো কাজ করে । ৫.আর্থ্রাইটিস রোগীরা কার্কুমিন সাপ্লিমেন্টগুলিতে খুব ভাল সাড়া দেয় । ৬.ত্বকের যত্নে হলুদ সহায়তা করে। ৭.হলুদে থাকা কার্কুমিন আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে । ৮.কার্কুমিন আলঝাইমারজনিত রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় কার্যকর হতে পারে । ৯.শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব রয়েছে।
White Sandalwood Powder(Regular)/100gram
Benefits of Sandalwood: ১.ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। ২.ত্বকের ক্লান্তিভাব দূর করে। ৩.ত্বকের ব্ল্যাকহেডস দূর করতে সাহায্য করে। ৪.ব্রণ বা ত্বকের দাগ দূর করে। ৫. চন্দনের ব্যবহার ত্বকে কোমলতা আনে । ৬.যাদের ত্বক বয়সের কারণে ঝুলে গেছে, তাদের জন্য চন্দন বেশ উপকারী।
