Showing 49–64 of 155 results

Show sidebar

Dry Fig/ত্বীন ফল(Regular)/100gram

৳ 180.00
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ফিগ, যা রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম ।স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । Benefits of Fig: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ৩.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ৪.ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৫.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ৭.মরণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৮.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৯.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ১০.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ১১.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ১২..প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৩.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১৪.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১৫.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ১৬.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৭.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।

Dry Fig/ত্বীন ফল(Regular)/250gram

৳ 400.00
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ফিগ, যা রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম ।স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । Benefits of Fig: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ৩.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ৪.ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৫.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ৭.মরণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৮.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৯.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ১০.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ১১.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ১২..প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৩.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১৪.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১৫.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ১৬.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৭.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।

Dry Fig/ত্বীন ফল(Regular)/500gram

৳ 800.00
পবিত্র কোরআনে বর্ণিত মরুভূমির মিষ্টি ফল ত্বীন/ফিগ, যা রাসুল (সঃ) এর প্রিয় খাবারগুলোর অন্যতম ।স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা পবিত্র কুরআনে যার বর্ণনা করেছেন । Benefits of Fig: ১. নারী-পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি করে। ২. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। ৩.গর্ভবতী মা ও শিশুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। ৪.ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৫.হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। ৬.শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি রোগ নিরাময়েও সহায়তা করে। ৭.মরণব্যাধি ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। ৮.শরীরের অপ্রয়োজনীয় মেদ বা চর্বি কমায়। ৯.চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। ১০.ব্রেস্ট ক্যানসার প্রতিরোধে ত্বীন ফল সাহায্য করে। ফাইবার সমৃদ্ধ ত্বীন ফল খাদ্য তালিকায় রাখার ফলে ৩৪% নারীর মধ্যে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা কম দেখা গিয়েছে। ১১.রক্তে ক্ষতিকর সুগারের পরিবর্তে ন্যাচারাল সুগার তৈরি করে ব্যালান্স রক্ষা করে। ১২..প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১৩.ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখে। ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। ১৪.শরীরের ক্যালসিয়ামের শূন্যতা পূরণ করে । ১৫.যাদের দুধ ও দুধের তৈরি খাবারে অ্যালার্জি আছে তাঁরা ক্যালসিয়ামের ঘাটতির পূরণের জন্য নিয়মিত ত্বীন ফল খান। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ১৬.শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ১৭.দুর্বলতায় ভোগেন এমন ব্যক্তির জন্য ত্বীন ফল খুবই উপকারী। বিশেষ করে মুখ, জিভ বা ঠোঁট ফাটার সমস্যা থাকলে তা নিরাময় করতে সাহায্য করে।

Extra Virgin Olive Oil 1Litter

৳ 1,200.00

Extra Virgin Olive Oil Benefits

1. Protects Heart Health 2. Helps Fight Cancer 3. Helps with Weight Loss and Obesity Prevention 4. Supports Brain Health 5. Fights Mood Disorders and Depression 6. Great for Boosting Skin Health 7. Can Help Prevent or Treat Diabetes 8. Helps Balance Hormones

Fenugreek oil/মেথি ‍তেল(Regular)/100ml

৳ 450.00
মেথির তাজা এবং শুকনো বীজ, পাতা, পাতাগুলি এবং মূলগুলি মশলা, স্বাদযুক্ত এজেন্ট এবং পরিপূরক হিসাবে ব্যবহার করা হয় ।মেথি হ'ল একটি ঔষধি। স্বাস্থ্য উপকার: ১.ওজন হ্রাস করে । ২.ব্যাথা মোচন করে । ৩.প্রদাহ হ্রাস করে । ৪.ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে। ৫.টেস্টোস্টেরন বাড়ায় । ৬.শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় । ৭.হার্ট এবং রক্তচাপের অবস্থার ঝুঁকি হ্রাস করে ।

Flaxseed oil/ফ্ল্যাক্সসিড তেল/(Regular)/100ml

৳ 350.00
Benefits of Flaxseed Oil: ১.ফ্ল্যাক্সসিড তেলের মূল পুষ্টি-গুণ হচ্ছে ওমেগা ফ্যাটি -৩ এসিড। ২.কোলেস্টেরল কমায় । ৩.ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ঝুঁকি কমায় ৪.হার্ট ভালো রাখে । ৫.কন্সটিপেশন দূর করে। ৬.ডায়রিয়া সমস্যার সমাধান করে । ৭.ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে । ৮.ফ্ল্যাক্সসিড থেকে আমরা ফাইবার ও জিংক পেয়ে থাকি। ৯.দেহের কোলন সিস্টেম উন্নত করে এবং পাকস্থলীর হজম কাজে সহয়তা করে। ১০. শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।

Flaxseed(Regular)/1kg

৳ 500.00
ফ্ল্যাক্সসিড কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ।ফ্ল্যাক্সসিড আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার।ফ্ল্যাক্সসিড ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস। আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের ফ্ল্যাক্সসিড বেশি পাওয়া যায়। এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই ফ্ল্যাক্সসিড খেয়ে থাকেন নানা ভাবে। ফ্ল্যাক্সসিড এর উপকারিতা: ১.ওজন কমায়-ফ্ল্যাক্সসিড এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও আঁশ অনেকক্ষণ পেট ভরে রাখে। ফলে, কম খাবার খেলেও চলে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় স্যুপ, স্যালাড ও যে কোনও পানীয়ের সঙ্গে কয়েক চা চামচ ফ্ল্যাক্সসিড খাওয়া যেতে পারে। ২. অতিরিক্ত মেদ কমায়। ৩.ফ্ল্যাক্সসিড এ রয়েছে প্রচুর ফাইটোঅ্যাস্ট্রোজেনিক লিগ্লান্স। এটা শরীরে ক্যানসারের কোষ গঠনে বাধা দেয়। স্তন, প্রস্টেট, ওভারিয়ান ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ৪. শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয় ফ্ল্যাক্সসিড। ৫.শরীরে ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ফ্ল্যাক্সসিড। ৬.কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ১-৩ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্সসিড এর তেল ১ কাপ গাজরের রসের সঙ্গে নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। ৭.গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে উপকার পাওয়া যায়। ৮.ফ্ল্যাক্সসিড রক্তে চিনির মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৈনিক ১৫-২০ গ্রাম ফ্ল্যাক্সসিড খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে। ৯.ফ্ল্যাক্সসিড রয়েছে আলফা লিনোলিক অ্যাসিড। এটা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। ১০.প্রতিদিন লাঞ্চের পর অল্প একটু ফ্ল্যাক্সসিড চিবোলে তামাক বা অন্য নেশা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বলে দাবি গবেষকদের। ১১.সুন্দর ত্বক, চুল, নখ- প্রতিদিন ১ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড গুঁড়ো। চুল পড়া কমায়। স্কিন ও নখকে স্বাস্থ্যবান করে।

Flaxseed(Regular)/250gram

৳ 170.00
ফ্ল্যাক্সসিড কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ।ফ্ল্যাক্সসিড আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার।ফ্ল্যাক্সসিড ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস। আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের ফ্ল্যাক্সসিড বেশি পাওয়া যায়। এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই ফ্ল্যাক্সসিড খেয়ে থাকেন নানা ভাবে। ফ্ল্যাক্সসিড এর উপকারিতা: ১.ওজন কমায়-ফ্ল্যাক্সসিড এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও আঁশ অনেকক্ষণ পেট ভরে রাখে। ফলে, কম খাবার খেলেও চলে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় স্যুপ, স্যালাড ও যে কোনও পানীয়ের সঙ্গে কয়েক চা চামচ ফ্ল্যাক্সসিড খাওয়া যেতে পারে। ২. অতিরিক্ত মেদ কমায়। ৩.ফ্ল্যাক্সসিড এ রয়েছে প্রচুর ফাইটোঅ্যাস্ট্রোজেনিক লিগ্লান্স। এটা শরীরে ক্যানসারের কোষ গঠনে বাধা দেয়। স্তন, প্রস্টেট, ওভারিয়ান ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ৪. শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয় ফ্ল্যাক্সসিড। ৫.শরীরে ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ফ্ল্যাক্সসিড। ৬.কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ১-৩ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্সসিড এর তেল ১ কাপ গাজরের রসের সঙ্গে নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। ৭.গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে উপকার পাওয়া যায়। ৮.ফ্ল্যাক্সসিড রক্তে চিনির মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৈনিক ১৫-২০ গ্রাম ফ্ল্যাক্সসিড খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে। ৯.ফ্ল্যাক্সসিড রয়েছে আলফা লিনোলিক অ্যাসিড। এটা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। ১০.প্রতিদিন লাঞ্চের পর অল্প একটু ফ্ল্যাক্সসিড চিবোলে তামাক বা অন্য নেশা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বলে দাবি গবেষকদের। ১১.সুন্দর ত্বক, চুল, নখ- প্রতিদিন ১ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড গুঁড়ো। চুল পড়া কমায়। স্কিন ও নখকে স্বাস্থ্যবান করে।

Flaxseed(Regular)/500gram

৳ 270.00
ফ্ল্যাক্সসিড কিছুটা অপরিচিত কিন্তু পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ।ফ্ল্যাক্সসিড আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি খাবার।ফ্ল্যাক্সসিড ফাইবার, ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিডের প্রধান উৎস। আমাদের দেশে বাদামি ও হলুদ রঙের ফ্ল্যাক্সসিড বেশি পাওয়া যায়। এতো পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার খুব কমই রয়েছে। অনেকেই ফ্ল্যাক্সসিড খেয়ে থাকেন নানা ভাবে। ফ্ল্যাক্সসিড এর উপকারিতা: ১.ওজন কমায়-ফ্ল্যাক্সসিড এর স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও আঁশ অনেকক্ষণ পেট ভরে রাখে। ফলে, কম খাবার খেলেও চলে। ওজন কমাতে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় স্যুপ, স্যালাড ও যে কোনও পানীয়ের সঙ্গে কয়েক চা চামচ ফ্ল্যাক্সসিড খাওয়া যেতে পারে। ২. অতিরিক্ত মেদ কমায়। ৩.ফ্ল্যাক্সসিড এ রয়েছে প্রচুর ফাইটোঅ্যাস্ট্রোজেনিক লিগ্লান্স। এটা শরীরে ক্যানসারের কোষ গঠনে বাধা দেয়। স্তন, প্রস্টেট, ওভারিয়ান ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করে। ৪. শরীরের দূষিত পদার্থ বের করে দেয় ফ্ল্যাক্সসিড। ৫.শরীরে ভাল কোলেস্টেরল বাড়ায় এবং খারাপ কোলেস্টেরল কমায় ফ্ল্যাক্সসিড। ৬.কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পেতে ১-৩ টেবিল চামচ ফ্ল্যাক্সসিড এর তেল ১ কাপ গাজরের রসের সঙ্গে নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। ৭.গ্যাস্ট্রিক ও আলসারে উপকার পাওয়া যায়। ৮.ফ্ল্যাক্সসিড রক্তে চিনির মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৈনিক ১৫-২০ গ্রাম ফ্ল্যাক্সসিড খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমে। ৯.ফ্ল্যাক্সসিড রয়েছে আলফা লিনোলিক অ্যাসিড। এটা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। ১০.প্রতিদিন লাঞ্চের পর অল্প একটু ফ্ল্যাক্সসিড চিবোলে তামাক বা অন্য নেশা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বলে দাবি গবেষকদের। ১১.সুন্দর ত্বক, চুল, নখ- প্রতিদিন ১ চামচ ফ্ল্যাক্সসিড গুঁড়ো। চুল পড়া কমায়। স্কিন ও নখকে স্বাস্থ্যবান করে।

Fuska/ফুসকা(Regular)/250 gram

৳ 120.00
কুড়মুড়ে গোলাকৃতির একটা ভেতর মশলাদার ঝাল ঝাল চটপটি আর তার উপর টকমিষ্টি তেঁতুল পানি।আস্ত একটা ফুচকা মুখে পুরে নিয়ে কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেঙ্গে যায়, এর পর মুখে স্বাদের যে ঝড় ওঠে সেটার তুলনা কি অন্যকিছুর সঙ্গে হয়? ফুচকা খায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পিঁয়াজ, নানারকম মশলা দিয়ে মাখা আলু ভরে তেঁতুল জলে ডুবিয়ে পরিবেশন করা হয় ফুচকা। যতদিন যাচ্ছে, এর জনপ্রিয়তাও যেন তত বাড়ছে। আর সেইসঙ্গে বাড়ছে ফুচকার ভ্যারাইটি। শুধু তেঁতুল জলে চুবিয়ে নয়, দই দিয়েও পরিবেশন করা হয় এটিকে।

Fuska/ফুসকা(Regular)/500 gram

৳ 200.00
কুড়মুড়ে গোলাকৃতির একটা ভেতর মশলাদার ঝাল ঝাল চটপটি আর তার উপর টকমিষ্টি তেঁতুল পানি।আস্ত একটা ফুচকা মুখে পুরে নিয়ে কামড় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেঙ্গে যায়,এরপর মুখে স্বাদের যে ঝড় ওঠে সেটার তুলনা কি অন্যকিছুর সঙ্গে হয়? ফুচকা খায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পিঁয়াজ, নানারকম মশলা দিয়ে মাখা আলু ভরে তেঁতুল জলে ডুবিয়ে পরিবেশন করা হয় ফুচকা। যতদিন যাচ্ছে, এর জনপ্রিয়তাও যেন তত বাড়ছে। আর সেইসঙ্গে বাড়ছে ফুচকার ভ্যারাইটি। শুধু তেঁতুল জলে চুবিয়ে নয়, দই দিয়েও পরিবেশন করা হয় এটিকে।

Golden Raisins/কিসমিস(Regular)/1 kg

৳ 350.00
শুকনো আঙ্গুর থেকে তৈরি, কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার। কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। কিসমিসে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে অতিরিক্ত শক্তির জোগান দেয়।কালো কিসমিসের খুব চিনিযুক্ত এবং সরস স্বাদ থাকে। এটির প্রচুর স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে। চুল পড়া কমাতে, রক্ত ​​থেকে অমেধ্য দূরীকরণ, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে, রক্তাল্পতা অব্যাহত রাখার জন্য কালো কিসমিস অতুলনীয়। কারণ এতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এবং আয়রন সমৃদ্ধ। Benefits of Raisins: ১.এটি মাথার ত্বকে রক্ত ​​সঞ্চালনে সহায়তা করে যা চুল পড়া রোধ করে। এটির উচ্চ ভিটামিন সি চুলকে পুষ্টি জোগায় । ২.কালো কিসমিসে উপস্থিত পলিফেনলগুলি কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে। ৩.পটাসিয়াম ব্যতীত এটিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম থাকে যা আমাদের হাড়ের জন্য ভাল। ৪.পটাশিয়াম সমৃদ্ধ, এই ফলগুলি উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। ৫.এতে আয়রনের উচ্চ উপাদানগুলি রক্তাল্পতা উপশম করতে সহায়তা করে। আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিনের উপাদান উত্থাপন করে, যার ফলে রক্তাল্পতা নিরাময় হয়। ৬.দাঁতের জন্যও ভাল। ফাইটোকেমিক্যালগুলির উপস্থিতির কারণে এটি দাঁত ক্ষয় হওয়া রোধ করে এবং জীবাণু ও গহ্বরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। ৭.প্রচুর এনার্জি বা ওজন বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এড়িয়ে কিসমিস খেলে সুস্থভাবে ওজন বাড়ে। ৮.কিসমিস রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বা যারা এতে আক্রান্ত, তাদের শরীরে বৃদ্ধির পরিমাণ খানিকটা হলেও কমিয়ে দেয়। ৯.কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে যা রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। কিসমিসে কপারও থাকে যা রেড ব্লাড সেল তৈরিতে সাহায্য করে। ১০.কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। বোরন ধ্যান বাড়ানোর সহায়ক। ফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে। বাচ্চাদের পড়াশোনাতেও মনোযোগী করে তুলতে পারে। ১১.কিসমিস পোস্টপ্রান্ডিয়াল ইন্সুলিন রেস্পন্সকে নামিয়ে দেয়, যার মানে দাঁড়ায় যে কিসমিস খেলে লাঞ্চ বা ডিনারের পরে শরীরে যে ইনসুলিনের হঠাত্‍ বৃদ্ধি বা ঘাটতি দেখা দেয়, তা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ১২.কিসমিসে আছে ফেনল ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যার জীবাণুনাশক শক্তি, অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল এবং অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট বৈশিষ্ট্য ব্যাক্টেরিয়া এবং ভাইরাল ইনফেকশানের জন্য হওয়া জ্বর কমাতে সাহায্য করে। ১৩.কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন। ১৪.অলিওনেলিক অ্যাসিড বলে একটি ফাইটো কেমিকল আছে যেটি দাঁতের ক্ষয়, ক্যাভিটি ও দাঁতের ভঙ্গুরতা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। কিসমিসে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকার জন্য এটি দাঁত শক্ত করে এবং এনামেল গড়তেও সাহায্য করে। ১৫.বোরন নামক এক মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত কিন্তু শরীরে এর উপস্থিতির গুরুত্ব অসীম। তাই বোরন মেনোপজ ঘটে যাওয়া নারীদের মধ্যে অস্টিয়োপোরসিস এবং হাড় ও জয়েন্ট এর জন্য খুব উপকারী।

Himalayan Pink Salt (Crush ) 1Kg

৳ 350.00
Himalayan Pink Salt এর উপকারিতা :
? কোষের ভিতর এবং বাইরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।
? ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।
? কোষে PH মাত্রা বজায় রাখে।
? রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
? শ্বাসকষ্টের সমস্যা দূর করে।
? সাইনাসের সমস্যা কমিয়ে দেয়।
? পেশী ব্যাথা কমায়।
? শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।
? হাড় শক্তিশালীকরণ।
? ঘুম ভালো হয়।
? হজমশক্তি বাড়ে।
? মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
? শরীর থেকে টক্সিন বার করে।
? এনার্জিতে ভরপুর রাখে

Himalayn Pink Salt (Rock) 1Kg

৳ 230.00
Himalayan Pink Salt এর উপকারিতা :
? কোষের ভিতর এবং বাইরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।
? ওজন হ্রাসে সাহায্য করে।
? কোষে PH মাত্রা বজায় রাখে।
? রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
? শ্বাসকষ্টের সমস্যা দূর করে।
? সাইনাসের সমস্যা কমিয়ে দেয়।
? পেশী ব্যাথা কমায়।
? শরীরে বিভিন্ন জয়েন্ট বা গাঁট-কে সুস্থ রাখে।
? হাড় শক্তিশালীকরণ।
? ঘুম ভালো হয়।
? হজমশক্তি বাড়ে।
? মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।
? শরীর থেকে টক্সিন বার করে।
? এনার্জিতে ভরপুর রাখে

Home Made Virgin Coconut Oil(Regular)/500ml

৳ 700.00
বর্তমানে নারকেল তেল একটি সুপারফুড হিসাবে ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। কোল্ড প্রেসড মেশিনে ভাংগানোর কারনে তেলের গুনাগুন সম্পুর্নরুপে বজায় থাকে । রান্না, বেকিং, ড্রেসিং এবং রোস্টিংয়ের জন্য উপযুক্ত তেল। যা খুব সহজেই আপনার স্বাস্থ্যকর ডায়েটের অংশ হতে পারে। Health Benefits of Extra virgin Coconut oil: ১.ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। ২.ক্ষতিকারক পেটের মেদ কমাতে সহায়তা করতে পারে। ৩.ফ্যাট বার্ন করে। ৪.ডায়াবেটিস এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ করে। ৫.হার্টের স্বাস্থ্য বাড়িয়ে তুলতে পারে। ৬.এইচডিএল (ভাল) কোলেস্টেরল বাড়িয়ে তুলতে পারে। ৭.অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রভাব থাকতে পারে। ৮.খিঁচুনি কমাতে পারে। ৯.ত্বক, চুল এবং দাঁত রক্ষা করতে পারে। ১০.ক্ষুধা কমাতে পারে। ১১.শক্তি বাড়াতে কাজ করে। ১২.হৃদযন্ত্র এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে। ১৩.আলঝাইমার রোগে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ১৪.স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড ধারণ করে।

Irani Khajur(1kg)

৳ 750.00
খেজুরের উপকারিতার: ১ .দুর্বলতা দূর হয় । ২. স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে । ৩. গ্লুকোজ এর ঘাটতি পূরণ করে । ৪. হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী । ৫.খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী । ৬. খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে । ৭.ত্বক ভালো রাখে । ৮.হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক । ৯. রুচি বাড়ায় । ১০. দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে । ১১.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় । ১২.খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ১৩.নারীদের শ্বেতপ্রদর ও শিশুর রিকেট নিরাময়ে খেজুরের কার্যকারিতা অনেক । ১৪.মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে । ১৫.ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখে। ১৬.পেটের গ্যাস, শ্লেষ্মা, কফ দূর করে, শুষ্ক কাশি এবং এজমায় উপকারী। ১৭.মুখের লালাকে ভালোভাবে খাবারের সঙ্গে মিশতে সাহায্য করে খেজুর। ১৮.মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে। ১৯.বদহজম দূর হয়। । ২০.উচ্চমাত্রার শর্করা, ক্যালরি ও ফ্যাট সম্পন্ন খেজুর জ্বর, মূত্রথলির ইনফেকশন, যৌনরোগ, গনোরিয়া, কণ্ঠনালির ব্যথা বা ঠান্ডাজনিত সমস্যা, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী। ২১.খেজুর দেহে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে। ২২.খেজুরে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে। ২৩.খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন , মিনারেল ও আয়রন । ২৪.খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম বিদ্যমান যা আমাদের শরীরের নার্ভ সিস্টেমকে সচল রাখার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় । ২৫.খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ – যা হাড়, দাঁত, নখ, ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহয়তা করে।