Showing 145–155 of 155 results

Show sidebar

খেজুরের টফি গুড়/Toffee molasses(Regular)1kg

৳ 350.00
শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়। বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি। খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন। হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী। খেজুরের গুড় শরীরের ভেতর থেকে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ। গুড়ের উপকারিতা অনেক: ১.প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খেলে হজম তাড়াতাড়ি হয়। গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়। ২.শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় । প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে। ৩.প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। ৪.গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে। ৫. গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়। ৬.গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।

খেজুরের পাটালি গুড়/ Date Patali Molasses (Regular) 1 kg

৳ 350.00
শীতকাল আসলেই মনে পড়ে যায় খেজুরের গুড়ের কথা পন্যের নামঃ খেজুরের পাটালি গুড় শীতের অপেক্ষার মূলেই বাঙালির থাকে পিঠা-পায়েস খাওয়া। এই দারুণ স্বাদের মিষ্টি খাবারগুলো তৈরি হয় খেজুর গুড়ে। বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে অন্যতম খেজুরের গুড়।খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন। হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী। তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ। গুড় খাবেন আপনি, গুড়ের খাটি মানের নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমরা । অর্ডারের জন্য ইনবক্স করুন অথবা কল করুন ০১৯২৭৯৭৫৬৪০,

চাকের মধু/Chuck honey(Regular)/1kg

৳ 1,000.00
স্বাস্থ্যের জন্য মধুর উপকারিতা : স্বাস্থ্যের জন্যে মধুর উপকারিতা নানারকম ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। মধুর নানা ঔষধিক গুণ রয়েছে। মধুর উপকারিতা: ১. এস্থেমার জন্যে । ২. সর্দি কাশি কমাতে । ৩. চুলের জন্য । ৪. কাটা, ছেড়া জ্বালা কমাতে । ৫. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে । ৬. ত্বকের জন্য । ৭. শরীরে শক্তি প্রদান করতে । ৮. হাড়ের জন্যে । ৯. রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে । ১০. হার্টের সমস্যায় । মধু খাওয়ার নিয়ম: ১.ফল অথবা সবজির স্যালাড মধু মিশিয়ে খেতে খুব ভালো লাগে। ২.চা অথবা কফিতে চিনি ব্যবহার না করে মধু ব্যবহার করে পান করতে পারেন। ৩.দুধ পান করার আগে তার মধ্যে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। ৪.প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস উষ্ণ গরম জলে এক চামচ মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করতে পারেন। ৫.মধু, তুলসী পাতা ও আম একসাথে পেস্ট করে জলে গুলে শরবত করে পান করতে পারেন। ৬.আরেকটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে আদার রস, লেবুর রস ও মধু জলে মিশিয়ে পান করলে দারুণ শারীরিক উপকারিতা পাবেন।

জয়তুন তেল / Olive oil(Regular)200 ml

৳ 370.00 ৳ 350.00
কোরআনে বর্ণিত ফলগুলোর অন্যতম একটি ফল জলপাই বা জয়তুন।প্রিয় নবী (সা.)-এর পছন্দের ফলগুলোর একটি ছিল জয়তুন। এর তেলও শরীরের জন্য বেশ উপকারী। রাসুল (সা.) তা নিজে ব্যবহার করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও ব্যবহার করার তাগিদ দিতেন। হজরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা (জয়তুনের) তেল খাও এবং তা শরীরে মালিশ করো। কেননা এটি বরকত ও প্রাচুর্যময় গাছের তেল। (তিরমিজি, হাদিস : ১৮৫১) জয়তুন তেলের গুনাগুনঃ *ক্লোষ্টোরেল এবং গুড ক্লোষ্টোরেল নিয়ন্ত্রণ হয় *পাকস্থলীর জন্য খুব ভালো। *শরীরের এসিড কমায় *সাধারণত সন্তান হওয়ার পর মহিলাদের পেটে সাদা রঙের স্থায়ী দাগ পড়ে যায় । গর্ভধারণ করার পর থেকেই পেটে জয়তুন তেল মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে না। এটা একটা পরীক্ষিত ব্যাপার। *ত্বক কুঁচকানো প্রতিরোধ হয় । *খাবারে জয়তুন তেল ব্যবহার করলে ক্লোন ক্যান্সার (Colon cancer)প্রতিরোধ হয়। *মেয়েদের রূপ বর্ধনের জন্য এটা অনেকটা কার্যকর। *জয়তুন তেল যে কোষ্ঠ কাঠিন্য কমে, তা ইবনুল কাইয়্যূম তার “The Medicine of the Prophet (sm.)” বইয়ে তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন ।

নারকেল ময়দা /Coconut Flour(Regular)1kg

৳ 1,400.00
নারকেল ময়দা কি? নারকেল ময়দা শুকনো নারকেল মাংস থেকে তৈরি একটি নরম ময়দা। নারকেলের দুধ যখন নারকেলের মাংস থেকে চেপে নেওয়া হয়, তখন এই মাংসটি কম তাপমাত্রায় শুকানো হয় এবং মাটিতে একটি আটাতে পরিণত করা হয় যা বেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত। নারকেল ময়দা স্বাস্থ্য উপকারী 1) নারকেল ময়দা প্রাকৃতিকভাবে আঠালো-মুক্ত, এটি তাদের জন্য একটি জনপ্রিয় উপাদান হিসাবে আঠালো অ্যালার্জি রয়েছে বা তাদের ডায়েট থেকে গ্লুটেনকে নির্মূল করতে চায়। এতে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ পুষ্টির পরিমাণ রয়েছে যা এটিকে গমের আখের জন্য একটি দুর্দান্ত প্রতিস্থাপন করে। ২) ইনোভেটিভ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড ইমারজিং টেকনোলজিসে 2006 সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারকেল আটাতে উপস্থিত ফাইবারের উপাদান কোলেস্টেরল স্তর হ্রাস এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে কার্যকর । 3) নারকেলের ময়দার মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে কম গ্লাইসেমিক সূচক থাকে কারণ তারা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আরও ভাল। ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে বেকড পণ্যগুলিতে নারকেলের ময়দার পরিমাণ বাড়িয়ে খাবারের গ্লাইসেমিক সূচককে হ্রাস করে।

নারকেল ময়দা/Coconut flour(Regular)500gram

৳ 700.00
নারকেল ময়দা কি? নারকেল ময়দা শুকনো নারকেল মাংস থেকে তৈরি একটি নরম ময়দা। নারকেলের দুধ যখন নারকেলের মাংস থেকে চেপে নেওয়া হয়, তখন এই মাংসটি কম তাপমাত্রায় শুকানো হয় এবং মাটিতে একটি আটাতে পরিণত করা হয় যা বেকিংয়ের জন্য উপযুক্ত। নারকেল ময়দা স্বাস্থ্য উপকারী 1) নারকেল ময়দা প্রাকৃতিকভাবে আঠালো-মুক্ত, এটি তাদের জন্য একটি জনপ্রিয় উপাদান হিসাবে আঠালো অ্যালার্জি রয়েছে বা তাদের ডায়েট থেকে গ্লুটেনকে নির্মূল করতে চায়। এতে প্রাকৃতিকভাবে উচ্চ পুষ্টির পরিমাণ রয়েছে যা এটিকে গমের আখের জন্য একটি দুর্দান্ত প্রতিস্থাপন করে। ২) ইনোভেটিভ ফুড সায়েন্স অ্যান্ড ইমারজিং টেকনোলজিসে 2006 সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে নারকেল আটাতে উপস্থিত ফাইবারের উপাদান কোলেস্টেরল স্তর হ্রাস এবং ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতে কার্যকর । 3) নারকেলের ময়দার মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবারগুলির মধ্যে কম গ্লাইসেমিক সূচক থাকে কারণ তারা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে আরও ভাল। ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশনে ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে বেকড পণ্যগুলিতে নারকেলের ময়দার পরিমাণ বাড়িয়ে খাবারের গ্লাইসেমিক সূচককে হ্রাস করে।

নিমের তেল/Neem Oil(Regular)100ml

৳ 300.00
নিম তেলে এমন অনেক উপাদান রয়েছে যা ত্বকের জন্য চরম উপকারী। উপকারিতা: ১.শুষ্ক ত্বক এবং ত্বক টান টান করে । ২.দাগ কমায় । ৩.ব্রণ চিকিৎসা করে । ৪. খুশকি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় । ৫.একজিমা হ্রাস করে । ৬.ক্ষত আরোগ্য লাভ করে। ৭.এটি চুলের স্বাস্থ্য এবং বৃদ্ধিকে উৎসাহ দেয় । ৮.এটি পা ছত্রাক থেকে লড়াই করে । ৯.ওয়ার্টস এবং মোলগুলি হ্রাস করে ।

বাকরখানি (Bakarkhani)১ কেজি

৳ 220.00
বাকরখানি ময়দা দিয়ে তৈরি রুটি জাতীয় খাবার বিশেষ। এটি বাংলাদেশের পুরান ঢাকাবাসীদের সকালের নাস্তা হিসাবে একটি অতি প্রিয় খাবার। বর্তমানে সবার কাছেই এটি একটি প্রিয় খাবার।ময়দার খামির থেকে রুটি বানিয়ে তা মচমচে বা খাস্তা করে ভেজে বাকরখানি তৈরি করা হয়। ছোট-বড় বিভিন্ন আকারের বাকরখানি রয়েছে। তৈরীর বিশেষত্য অনুযায়ী বাকরখানির ভিন্ন ভিন্ন নামও আছে। যেমন- নিমসুকা, খাসতা ইত্যাদি। যা দিয়ে খাওয়া হয়: বাকরখানি রুটি চায়ের সাথে খাওয়ার প্রচলন বেশী। এছাড়াও মাংসের তরকারীর সাথে, হোক সে গরু ,খাশী অথবা মুরগীর, বাকরখানি রুটি এ যেন সোনায় সোহাগা। ক্ষীর এবং পায়েশের সাথেও এই রুটি পরিবেশন করা হয়ে থাকে।

যবের ছাতু/Barley husk(Regular)1 kg

৳ 340.00 ৳ 320.00
ডায়েট হোক, শতভাগ খাটি যবের ছাতু দিয়ে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যবের ছাতু খেলে শরীরের নানাবিধ উপকার তো হয়ই, সেই সঙ্গে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকার কারণে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে। ফলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার। *শরীরকে রোগমুক্ত করে *ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় *এনার্জির ঘাটতি দূর হয় *বয়স্কদের জন্য উপকারি পানীয় *স্টমাকের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় *শিশুদের বেড়ে উঠা আর বুদ্ধির বিকাশে সহায়তা করে *ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারি পানীয় *মেয়েদের শারীরিক ক্ষমতা বাড়ে খাওয়ার নিয়ম : জলের সঙ্গে পাতলা করে গুলে খেতে হবে। শক্ত করে মেখে দলা পাকিয়ে খেলে অজীর্ণ হয়।

যবের ছাতু/Barley husk(Regular)500 gram

৳ 190.00 ৳ 170.00
ডায়েট হোক, শতভাগ খাটি যবের ছাতু দিয়ে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যবের ছাতু খেলে শরীরের নানাবিধ উপকার তো হয়ই, সেই সঙ্গে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকার কারণে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতাও কমে। ফলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার। *শরীরকে রোগমুক্ত করে *ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় *এনার্জির ঘাটতি দূর হয় *বয়স্কদের জন্য উপকারি পানীয় *স্টমাকের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় *শিশুদের বেড়ে উঠা আর বুদ্ধির বিকাশে সহায়তা করে *ডায়াবেটিকদের জন্য উপকারি পানীয় *মেয়েদের শারীরিক ক্ষমতা বাড়ে খাওয়ার নিয়ম : জলের সঙ্গে পাতলা করে গুলে খেতে হবে। শক্ত করে মেখে দলা পাকিয়ে খেলে অজীর্ণ হয়।

হাজারি গুড়/Hazari molasses(Regular)1 kg

৳ 1,600.00
শীত পড়তে না পড়তেই বাঙালি উৎসুক হয়ে থাকে খেজুরের গুড়ের জন্য। আর পায়েসে যদি খেজুরের গুড় দেওয়া হয় তাহলে তো তার স্বাদই বদলে যায়। বছরের শেষে গুড় দিয়ে তৈরি পিঠে, পুলি, পায়েস, মিষ্টি নিয়ে মজে থাকে বাঙালি। খেজুরের গুড়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যাঁরা রক্তস্বল্পতার ভুগছেন, তাঁরা খেজুরের গুড় খেলে উপকার পাবেন। হাড় ও বাতের ব্যথা কমাতে খেজুরের গুড় বেশ উপকারী। খেজুরের গুড় শরীরের ভেতর থেকে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। তবে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের খেজুরের গুড় খাওয়া একেবারেই নিষেধ। গুড়ের উপকারিতা অনেক: ১.প্রতিদিন খাওয়ার পর একটু গুড় খেলে হজম তাড়াতাড়ি হয়। গুড় আমাদের হজমে সাহায্য করা এনজাইমের শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়। ২.শরীরে আয়রনের অভাব ঘটলে হিমগ্লোবিনের ঘাটতি হয় । প্রতিদিন অল্প পরিমাণে গুড় খেলে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমতে পারে। ৩.প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম বা পিএমএস সমস্যায় কমবেশি প্রায় সমস্ত মহিলারা ভোগেন। প্রতিদিন নিয়ম করে অল্প পরিমাণ গুড় খেলে শরীরে হরমোনের সমতা বজায় থাকে। ৪.গুড় আমাদের শরীরে হ্যাপি হরমোনের বৃদ্ধি ঘটায় ও হরমোনের সমতা বজায় রাখে। ৫. গুড় রক্তের সঙ্গে মিশতে কিছুটা সময় লাগে। ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ হঠাৎ করে বেশি কমে বা বেড়ে যেতে পারেনা। ফলে আমাদের শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলির ক্ষতি কম হয়। ৬.গুড় আমাদের শরীর গরম রাখতে সাহায্য করে। ফলে সর্দি, কাশি, ভাইরাল ফিবারের হাত থেকে রক্ষা করে ও শরীর গরম রাখে।