
Berry Beech Powder/জাম বীজ পাউডার(Regular)/100gram
৳ 180.00
Benefits of Berry Beech Powder:
১.রক্তের শর্করা কমায়।
২.ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আদর্শ পথ্য এবং খুবি কার্যকরি।
৩.ঘন ঘন মূত্রত্যাগ কমাতে সাহায্য করে।
৪.পাকস্থলী, প্লিহা ও যকৃতের শক্তি বৃদ্ধি করে।
সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে দৈনিক এক বা দু ‘বার খাবেন।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Berry Beech Powder/জাম বীজ পাউডার(Regular)/100gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Hibiscus Flower Powder/জবাফুল পাউডার(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Hibiscus Flower Powder: ১.চুলকে কালো করার পাশাপাশি ঘন ও ঝলমলে করে তুলতে জবা অনেক উপকারি। প্যাক হিসেবে - জবা পাউডার+মেথি পাউডার+রিঠা পাউডার+ভৃঙ্গরাজ পাউপার+তুলসী পাউডার +ডিমের সাদা অংশ একসাথে মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন। ২.জবা ফুলে ভিটামিন সি এর পাশাপাশি ভিটামিন এ ও আছে। এটি মাথার ত্বকের চুলকানি উপশম করতে সাহায্য করে। সেজন্য ১ লিটার পানিতে ৪ চা চামচ জবা পাউডার ফুটিয়ে ছেকে নিয়ে সে পানি দিয়ে মাথা ভালো করে ধুয়ে নিলে হবে। ৩.জবা ফুলে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম। তাই এটি চুলের গোড়াকে শক্ত করতে সহায়তা করে। নারিকেল তেলের সাথে জবা পাউডার ফুটিয়ে সে তেল চুলের গোড়ায় দিলে চুলের গোড়া শক্ত হয়। ৪.জবা ফুল প্রাকৃতিক ভাবে চুলকে কালো রাখতে সহায়তা করে। অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধে জবা বেশ কার্যকরি। সেজন্য প্যাক হিসেবে- জবা পাউডার+আমলকি পাউডার+শিকাকাই পাউডার+অশ্বগন্ধা পাউডার+হরতকি পাউডার মিশিয়ে চুলে লাগাবেন। ৫.প্রাকৃতিক এন্টি ইনফ্ল্যামাটরি উপাদান ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ জবা ভেতর থেকে ব্রণের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। প্যাক হিসেবে- জবা পাউডার+নিম পাউডার+সজনে পাউডার +দারচিনি পাউডার+যষ্টিমধু পাউডার একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৬.ব্রণ দূর করার পাশাপাশি ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে এবং বলিরেখা দূর করতেও সাহায্য করে। প্যাক হিসেবে- জবা পাউডার +আমলকি পাউডার+মেথি পাউডার+গোলাপ পাউডার +মধু/লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন।
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত। এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান। সোনা পাতার উপকারিতাঃ *কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। *গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। *কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি) *পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক । *ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়) *স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে। *উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। *রুচি বৃদ্ধি করে। *বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক, *চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। *পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি। ব্যবহার/সতর্কতাঃ অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়। সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি: সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে। এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে
অর্জুন গুড়া/Arjun powder(Regular)100 gram
৳ 160.00
বাড়িতে একটা অর্জুন গাছ থাকা মানে নাকি একজন ডাক্তারের বাড়িতে থাকা। এটি কিন্তু একদমই বাড়িয়ে বলা নয়। প্রাচীন যুগ থেকে রোগ নিরাময়ে অর্জুন গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার হয়ে আসছে। অর্জুন গাছের ছালে আছে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম। এ ছাড়াও এতে আছে গ্লুকোসাইড। এর পাশাপাশি এতে আছে ভিটামিন ই আর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। অর্জুন গাছের ছালে আছে অনেক খনিজ উপাদান, যা আপনাকে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি দিবে। অর্জুন গুড়ার গুনাগুনঃ *নিয়মিত অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে অ্যাজমার সমস্যা অনেক কমে যাবে। *অর্জুন গাছের ছাল কিন্তু হার্টের সমস্যার খুব ভালো কাজ দেয়। এটি কার্ডিয়াক মাসল শক্তিশালী করে। হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখে। *অর্জুন গাছের ছাল ফেস প্যাক হিসেবে অনেকে নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। *আমাশয় হলে অর্জুন গাছের ছালের গুড়ো ছাগলের দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে আমাশয়ের সমস্যা কমে যাবে। *প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা গরম পানিতে অর্জুন গাছের ছালের গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নি্লে হজম ক্ষমতা বাড়ে। *দাঁতের মাড়ির সমস্যার জন্য অর্জুন গাছের ছাল গুঁড়ো করে মাজনের মতো ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। *বুকের ধড়পড়ানি দূর করার জন্য অর্জুনের গুড়া গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে। *মাঝে মাঝে কারণে বা অকারণে শরীরের বিভিন্ন ছিদ্র দিয়ে (নাক, কান, মুখ) রক্ত পড়ে। অর্জুনের গুড়া এই সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি- ১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। ২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়। ৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। ৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। ৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন। ৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে। ৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
৳ 160.00
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন - *কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই *বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে *ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন *স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন *ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন *এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে * লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
গোলাপের পাপড়ি গুড়া /Rose Petal Powder(Regular)100gram
৳ 180.00
স্পর্শকাতর ত্বক সুন্দর রাখার প্রথম শর্তই হচ্ছে বিশেষ যত্ন নেওয়া। গোলাপের পাপড়িচূর্ণ মূলত ফেস মাস্ক হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। শুকনা গোলাপ ফুলের পাপড়িচূর্ণ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। দূর করে ত্বকে থাকা নানা রকম দাগ।ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে ব্যবহার করুন গোলাপের পাপড়ি গুড়া গোলাপ পাপড়ি গুড়ার গুনাগুন/ব্যবহারঃ *ত্বকের কোমলতা বাড়াতে *ময়েশ্চারাইজার হিসেবে *ব্রণ দূর করতে *ডার্ক সার্কেল দূর করতে *সানস্ক্রিন হিসেবে *হাতের যত্নে *চুলের যত্নে *ক্লিনজার/টোনার হিসেবে
Haratki Powder/হরতকি পাউডার(Regular)/100 gram
৳ 150.00
আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরতকি। এর স্বাদ তিতা।এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটো ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। Benefits of Hartaki Powder: ১.হরতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। ২.কন্সটিপেশন দূর করে হরিতকি। ৩.অ্যালার্জি দূর করতে হরতকি বিশেষ উপকারী। ৪.রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির পাউডার মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে। ৫.হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে। ৬.গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। ৭.দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি পাউডার লাগান, ব্যথা দূর হবে। ৮.হরতকির পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৯.দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ১০.হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। ১১.স্নায়ুবিক দুর্বলতা হ্রাস করে।


Reviews
There are no reviews yet.