
Basil leaf powder/তুলসী পাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram
৳ 280.00
উপকারিতা:
১.দাঁতের ব্যথা কমাতে :গোলমরিচ আর তুলসীপাতা একসঙ্গে বেটে গোলাকার বানিয়ে শুকিয়ে নিন। দাঁতে ব্যথা শুরু হলেই জিভের নীচে এই এটি রেখে দিলেই ব্যথা কমে যাবে ।
২.কিডনির পাথর কমায়:জলে তুলসীপাতা ফুটিয়ে, ছেঁকে তাতে মধু মিশিয়ে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় নিয়মিত খেলে কিডনির পাথর মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
৩.সর্বরোগ হরে তুলসী:চায়ে তুলসীপাতা ফুটিয়ে খেলে সর্দি-কাশি কমে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। গরম জলে তুলসীপাতা আর এলাচ দিয়ে ফুটিয়ে খেলে রক্ত শোধিত হয়।
৪.সর্দিকাশি কমানোর পাশাপাশি তুলসী রোগ-জীবাণু মারে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।তুলসী বহুগুণা।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Basil leaf powder/তুলসী পাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে। ০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়। ০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়। ০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে। ০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। ০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়। ০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়। ০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী। ০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে। ১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
Lentils Powder/মসুর ডাল গুড়া/(Regular)/100 gram
৳ 100.00
মসুর প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি ডাল। মসুর ডালে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন এ-সি-ই-কে ও থায়ামিন। ত্বকের যত্নে মসুর ডাল গুড়ার ব্যবহার : ১.মসুর ডাল গুড়া ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+গোলাপ+লাল চন্দন+পুনর্নভা গুড়া মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন। ২.মসুর ডাল খুব ভালে স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। মসুর ডাল+কমলা খোসা+চালের গুড়া+মধু/কাঁচা দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৩.ত্বক উজ্জল করার পাশাপাশি মসুর ডাল গুড়া ফেইস ওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+কস্তুরি হলুদ গুড়া একসাথে মিশিয়ে মুখে ১ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বকের সব ময়লা দূর হয়ে যাবে। ৪.মৃতকোষ দূর করতেও এটি বেশ কার্যকরি। মসুর ডাল+আমলকি+মেথি+কস্তুরি হলুদ+নিম গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৫.দাগ দূর করতে মসুর ডাল অনেকটা জাদুকরি। মসুর ডাল+মন্জিষ্ঠা+কস্তুরি হলুদ+দারচিনি+মুলতানি মাটি গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। মসুর ডাল প্রায় সবার ঘরেই থাকে। তাই এটি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকের যত্নে ব্যবহার করে আপনার ত্বককে করে তুলুন উজ্জ্বল, মসৃন ও দাগহীন।
মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram
৳ 200.00
শুধু ত্বকের যত্নে নয় মুলতানি মাটি দিয়ে কেশ পরিচর্যাও করা যায় রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার বহুদিনের। এতে আছে তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা যা ত্বকে সতেজবভাব আনে। এর ম্যাগ্নেশিয়াম ক্লোরাইড ত্বক ঠাণ্ডা ও মসৃণ রাখে। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি মুলতানি মাটি চুল ও মাথার ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। মুলতানি মাটির গুনাগুনঃ *শরীর এক্সফলিয়েট করতে: সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার। বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে। *তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি তেল শুষে নেয়। তাই এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন। *দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না। পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। *চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত। *শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
৳ 160.00
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন - *কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই *বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে *ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন *স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন *ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন *এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে * লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
Cinnamon Powder(Regular)/100 gram
৳ 200.00
একটি মজাদার, সুস্বাদু এবং আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভেষজ মসলা উপাদান।এটা অনেক মূল্যবান শুধুমাত্র এর ঔষধি গুনাগুন রয়েছে । Benefits of Cinnamon: ১. দারুচিনিতে পাওয়ারফুল আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৩.ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৪.হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় । ৫.মুখের দুর্গন্ধ দূর করে । ৬.আ্যসডিটি দূর করে । ৭.ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করে ,টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য এটা খুব উপকারি। ৮. হরমোন ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা উন্নত করে । ৯. হজমের সমস্যা দূর করে । ১০.শরীরে যে কোন ব্যাক্টেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করে । ১১.ত্বক সুন্দর রাখে ,উজ্জ্বলতা বাড়ায় । ১২.ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় । ১৩.মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে । ১৪.সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দূর করে । ১৫.বাতের নিরামক হিসেবে কাজ করে । ১৬. HIV ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে । ১৭.শরীরে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং টিস্যুগুলির ক্ষতি মেরামত করতে সহায়তা করে। ১৮.নিউরোডিজেনারেটিভ রোগগুলিতে দারুচিনি উপকারী প্রভাব ফেলে ।
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
Potato Powder(Regular)/100 gram
৳ 200.00
রূপচর্চায় আলুর ব্যবহার অনেক পুরোনো। এটি পর্যাপ্ত পুষ্টিগুন সম্পন্ন হওয়ায় আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। অনেক বিউটিশিয়ানরাই আজও রূপচর্চার ঘরোয়া উপাদান হিসেবে আলু পছন্দ করেন। ত্বকের যত্নে আলুর উপকারীতা: ১.আলুতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ "পটাশিয়াম" যা আমাদের ত্বকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং চেহারার ময়েশ্চারাইজেশন বজায় রাখে। ২.এতে থাকা "ম্যাগনেসিয়াম" ত্বকের দাগ দূর করতে এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে ্ ৩.ত্বকের মধ্যে বিদ্যমান মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে। ৪."ভিটামিন বি৬" ত্বকের নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে। ৫.আলুকে বলা হয় ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ৬.ত্বকে বিদ্যমান কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ৭."ভিটামিন সি" এর উপস্থিতি চেহারায় কোলাজেন প্রোডাকশন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে ।


Reviews
There are no reviews yet.