
Bay leaf powder/তেজপাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram
৳ 120.00
Benefits of Bay leaf powder:
১.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
২.মুখের দাগগুলি মুছে ফেলতে পারে।
৩.স্কিনকেয়ারের জন্য দুর্দান্ত কাজ করে।
৪.চুল পড়া, খুশকির সমস্যা এবং মাথার ত্বকের রোগ সমাধানে সহায়তা করে।
৫.এটি চুল থেকে উকুনের সমস্যাও সমাধান করে।
৬.প্রতিদিনের পেস্টের সাথে তেজপাতা ব্যবহার করুন এবং সহজেই স্বাস্থ্যকর সাদা দাঁত পান।
৭.রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
৮.পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে
৯.ভাল ঘুম হয় ।
১০.ত্বকের ফুসকুড়িগুলির চিকিৎসার জন্যও উপযুক্ত।
১১. সর্দি রোগে উপকারী। কাশি নিয়ন্ত্রণ করে, এবং নাক ছেড়ে দিয়ে, এটি অবাধ শ্বাস নিতে সহায়তা করে
১২.পেটের ফোলাভাব বা অস্বাভাবিক হজমের সমস্যা সমাধান করে ।
১৩.মাথাব্যাথা বা বাতের ব্যথা বা তীব্র পেনাইল ব্যথার সমাধানে এই মশলা অত্যন্ত কার্যকর
১৪.ই সুগন্ধযুক্ত মশলা দিয়ে চা পান করা শীঘ্রই শীত নিরাময় করে।
১৫.ত্বকের সংক্রমণ, ক্ষত, কাটা এবং পোকামাকড়ের কামড় কমায়।
১৬.মাথা ব্যথা বা বাতের ব্যথা নিরাময়ে সহায়তা করে।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Bay leaf powder/তেজপাতা গুঁড়া(Regular)/100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
৳ 150.00
Benefits of Triphala powder: ১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে । ২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে । ৩.ওজন হ্রাস করে । ৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে । ৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে । ৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে। ৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে। ৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে। ৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়। মিথস্ক্রিয়া: সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
অশ্বগন্ধা গুড়া /Ossogondha powder(Regular)100 gram
৳ 400.00
আপনি যদি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করে থাকেন বা বিকল্প চিকিৎসায় বিশ্বাসী হন, তাহলে বহুবার অশ্বগন্ধার নাম শোনার সম্ভাবনা আছে। আর কেনই বা নয়? অশ্বগন্ধা হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী ভেষজ। মানসিক চাপের উপসর্গ বা দুশ্চিন্তার উপসর্গ কমাতে সাধারণ ভেষজের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা বেশি ব্যবহৃত হয়। অশ্বগন্ধা গুড়ার গুনাগুনঃ *অকাল বার্ধক্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া রোধ করে *সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা বাড়ায়। *যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করে শুক্রাণু বৃদ্ধির কাজে, *ভ্যাজাইনাইটিস রোগের প্রতিকারে এবং স্তন বিকাশের প্রযোজনে অশ্বগন্ধাকে ব্যবহার করা হয়। *অশ্বগন্ধা আর্থারাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, আলসার, ক্যান্সার, দুর্বলতা, অনিদ্রা, গ্যাসট্রোইন্টেস্টিনাল সমস্যা, ডায়াবেটিস, স্নায়ুবৈকল্য, কোষ্ঠকাঠিন্য, বার্ধক্যজনিত স্মৃতিবিভ্রাট ইত্যাদি সারাতে বা নিযন্ত্রণ করতে পারে। *কেমোথেরাপি রোগীদের জন্যও উপকারী।
শিমুল মুল গুড়া /Shimul root powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
শিমুল একটি অতিপরিচিত গাছ।শিমুল মূল পুরুষদের যাবতিও যৌন সমস্যা দূর করে মনে কে শতেজ করে যৌন জীবনকে সুখি করে শরীরে স্বাভাবিক যৌন শক্তি যোগায়,জিন সিং যে কাজ করে শিমুল মূলও ঐ একই কাজ করে। এছাড়াও এই গাছের রয়েছে নানারকম ঔষধি গুণ। ভেষজ চিকিৎসা কাজে এই গাছের আছে নানবিধ ব্যবহার। গুনাবলীঃ *যাদের যৌন ক্ষমতা কম তারা এই গাছের মূলের চূর্ণ খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়। *পুরুষের শারীরিক দুর্বলতা যৌন দুর্বলতা শুক্রতারল্য দ্রুত বীর্যপাত এক কথায় সুস্থ যৌন জীবনের জন্যে শিমুল মূল কার্যকরী *জন্ডিস ,মহিলাদের লিকুরিয়া জন্যে ভাল কাজ করে, *শিমুল মূলের গুড়া- শুক্রবর্ধক, প্রদর ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে কার্যকর। * বলকারক, কামোদ্দীপক, মলরোধক। *মেছতা, উদরাময় ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে উপকারী। তবে সাথে সাথেই এর ফল পাবেন না ধীরে ধীরে পাবেন কমপক্ষে ১ মাস খেলে ফল পাবেন খাবার নিয়মাবলিঃ রাতে ১ চামচ গুড়া আধা গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, সকালে শুধু পানি টুকু খাবেন ও নিচে জমানো অংশ ফেলে দিবেন। একই প্রনালী তে রাতেও খাবেন,অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে। ০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়। ০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়। ০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে। ০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। ০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়। ০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়। ০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী। ০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে। ১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
Mint leaves Powder/পুদিনা পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 280.00
Benefits of Mint leaf Powder: ১। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, মুখের অরুচি ও পেটের গ্যাস সমস্যা দূর করে। ২। পেটের পীড়া ও বদহজমে কার্যকরী। ৩। পুদিনা শরীরকে ঠান্ডা রাখে, তাৎক্ষণিক ক্লান্তি দূর করে। ৪।ব্রণ ও ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করে। ৫।ত্বকের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিকের মত কাজ করে। ৬। পুদিনা পাতার চা পান করলে মাথাব্যথা, মাইগ্রেনের ব্যাথা সহ শরীরের যে কোন ব্যাথা উপশম হয়। সেবন পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ পাউডার ১ কাপ পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে খাবেন। এছাড়াও পুদিনা চা ও জুস বানিয়েও খেতে পারেন।
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি- ১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। ২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়। ৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। ৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। ৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন। ৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে। ৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
Shikakai powder/শিকাকাই গুড়া(Regular)/100gram
৳ 280.00
ভারতীয় মেয়েরা শিকাকাই পাউডার ব্যপক পরিমাণে ব্যবহার করে৷ শিকাকাই একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক উপাদান যা দীর্ঘকাল ধরে চুলের পরিচর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷ Benefits of Shikakai Powder: ১.শিকাকাইয়ে ভিটামিন সি রয়েছে যা মাথার ত্বকে শুষ্ক হতে দেয় না৷ ফলে খুশকি ও স্কাল্পের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ ২.এটি একালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করে চুলকে কালো ও ঝলমলে রাখতে সাহায্য করে৷ ৩.এতে অবস্থিত উপাদান চুলে ব্যবহার করার ফলে চুলের জট পড়ে না৷ফলে চুল ছিড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷ ৪.শিকাকাই ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক ভাবেই মাথায় নতুন চুল গজায় ও অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ হয়৷ ৫.শিকাকাইয়ে পিএইচ’য়ের মাত্রা অনেক কম পরিমাণে থাকে৷ এটি মাথার স্কাল্প পরিষ্কার করার একটি প্রকৃতিক উপায়৷
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।


Reviews
There are no reviews yet.