
Shikakai powder/শিকাকাই গুড়া(Regular)/100gram
৳ 280.00
ভারতীয় মেয়েরা শিকাকাই পাউডার ব্যপক পরিমাণে ব্যবহার করে৷ শিকাকাই একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদিক উপাদান যা দীর্ঘকাল ধরে চুলের পরিচর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়৷
Benefits of Shikakai Powder:
১.শিকাকাইয়ে ভিটামিন সি রয়েছে যা মাথার ত্বকে শুষ্ক হতে দেয় না৷ ফলে খুশকি ও স্কাল্পের বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷
২.এটি একালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করে চুলকে কালো ও ঝলমলে রাখতে সাহায্য করে৷
৩.এতে অবস্থিত উপাদান চুলে ব্যবহার করার ফলে চুলের জট পড়ে না৷ফলে চুল ছিড়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব৷
৪.শিকাকাই ব্যবহারের ফলে প্রাকৃতিক ভাবেই মাথায় নতুন চুল গজায় ও অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ হয়৷
৫.শিকাকাইয়ে পিএইচ’য়ের মাত্রা অনেক কম পরিমাণে থাকে৷ এটি মাথার স্কাল্প পরিষ্কার করার একটি প্রকৃতিক উপায়৷
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “Shikakai powder/শিকাকাই গুড়া(Regular)/100gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
৳ 150.00
Benefits of Triphala powder: ১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে । ২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে । ৩.ওজন হ্রাস করে । ৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে । ৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে । ৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে। ৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে। ৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে। ৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়। মিথস্ক্রিয়া: সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
Potato Powder(Regular)/100 gram
৳ 200.00
রূপচর্চায় আলুর ব্যবহার অনেক পুরোনো। এটি পর্যাপ্ত পুষ্টিগুন সম্পন্ন হওয়ায় আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। অনেক বিউটিশিয়ানরাই আজও রূপচর্চার ঘরোয়া উপাদান হিসেবে আলু পছন্দ করেন। ত্বকের যত্নে আলুর উপকারীতা: ১.আলুতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ "পটাশিয়াম" যা আমাদের ত্বকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে এবং চেহারার ময়েশ্চারাইজেশন বজায় রাখে। ২.এতে থাকা "ম্যাগনেসিয়াম" ত্বকের দাগ দূর করতে এবং মসৃণ করতে সাহায্য করে ্ ৩.ত্বকের মধ্যে বিদ্যমান মৃতকোষ দূর করতে সাহায্য করে। ৪."ভিটামিন বি৬" ত্বকের নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে। ৫.আলুকে বলা হয় ন্যাচারাল স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। ৬.ত্বকে বিদ্যমান কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ৭."ভিটামিন সি" এর উপস্থিতি চেহারায় কোলাজেন প্রোডাকশন বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে ।
Amlaki Powder(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Amlaki Powder: ১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে। ২. আমলকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩. প্রতিদিন সকালে আমলকি পাউডারের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি পাউডার ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। ৫.আমলকি পাউডার এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। ৬. আমলকি কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকি উপকারী। ৮.প্রতিদিন আমলকি পাউডার খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো, মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী পাউডারের সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। ৯.ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। ১০. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি- ১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। ২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়। ৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। ৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। ৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন। ৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে। ৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
Ritha powder/রিঠা গুড়া(Regular)/100gram
৳ 200.00
রিঠা একটি ফল কিন্তু খাদ্যোপযোগী নয়; নানা কাজে এর ব্যবহারের উপযোগিতা রয়েছে। যখন কোনো সাবান আবিষ্কৃত হয়নি, তখন রিঠার পাতা ও ফল সাবানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হতো। বীজ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফেনা হয়। উলের তৈরি পোশাক পরিষ্কারের জন্য এই ফেনা উত্তম। বিউটি পারলারগুলোতেও শ্যাম্পুর বিকল্প হিসেবে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহূত হতে দেখা যায়। Benefits of Ritha Powder: ১. চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ২.চুলের গোড়া শক্ত করে। ৩.চুলের ফ্রিজি ভাব কমিয়ে ধীরে ধীরে চুলকে স্ত্রেইট করে তোলে। ৪. চুল সিল্কি ও মসৃণ করে। ৫. খুশকি, উকুন দুর করে। ৬.মৃগী, হাঁপানি ও মূর্ছাসহ আরও অনেক রোগে ব্যবহার্য।
Lentils Powder/মসুর ডাল গুড়া/(Regular)/100 gram
৳ 100.00
মসুর প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি ডাল। মসুর ডালে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন এ-সি-ই-কে ও থায়ামিন। ত্বকের যত্নে মসুর ডাল গুড়ার ব্যবহার : ১.মসুর ডাল গুড়া ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+গোলাপ+লাল চন্দন+পুনর্নভা গুড়া মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন। ২.মসুর ডাল খুব ভালে স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। মসুর ডাল+কমলা খোসা+চালের গুড়া+মধু/কাঁচা দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৩.ত্বক উজ্জল করার পাশাপাশি মসুর ডাল গুড়া ফেইস ওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+কস্তুরি হলুদ গুড়া একসাথে মিশিয়ে মুখে ১ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বকের সব ময়লা দূর হয়ে যাবে। ৪.মৃতকোষ দূর করতেও এটি বেশ কার্যকরি। মসুর ডাল+আমলকি+মেথি+কস্তুরি হলুদ+নিম গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৫.দাগ দূর করতে মসুর ডাল অনেকটা জাদুকরি। মসুর ডাল+মন্জিষ্ঠা+কস্তুরি হলুদ+দারচিনি+মুলতানি মাটি গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। মসুর ডাল প্রায় সবার ঘরেই থাকে। তাই এটি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকের যত্নে ব্যবহার করে আপনার ত্বককে করে তুলুন উজ্জ্বল, মসৃন ও দাগহীন।
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।


Reviews
There are no reviews yet.