
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
৳ 150.00
Benefits of Triphala powder:
১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে ।
৩.ওজন হ্রাস করে ।
৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে ।
৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে ।
৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে।
৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে।
৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে।
৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়।
মিথস্ক্রিয়া:
সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
Category: Herbs
Additional information
| Weight | 100 kg |
|---|
Reviews (0)
Be the first to review “ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Curry leaves Powder/কারিপাতা পাউডার(Regualr)/100 gram
৳ 250.00
কারি পাতার বহু গুণ আছে, এটা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি কান্সার ।রান্নায় এই পাতার ব্যবহার হয় | Benefits of Curry leaf powder: ১.বদহজম, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য পেটের সমস্যার থেকে ত্রাণ পেতে সাহায্য করে। ২.ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো খাবার। এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ৩.শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আপনার শরীরকে চর্বিমুক্ত করতে সাহায্য করে। ৪.পিত্তজনিত বমিতে কারি পাতা একটি বিস্ময়কর প্রতিকার হতে পারে। ৫.অস্বস্তি এবং সকালে অসুস্থতা কমানোর জন্য গর্ভবতী নারীদের পক্ষে এটি সত্যিই কার্যকর হতে পারে। ৬. কেমোথেরাপি এবং বিকিরণ থেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে সাহায্য করে। ৭.চুলের অকালপক্বতা প্রতিরোধ করে। ৮.দৃষ্টিশক্তি উন্নতিতে সহায়ক হয়। চোখের ছানি প্রতিরোধ করতে পারে। ৯.ডায়রিয়ার জন্য ভাল প্রতিকার। কারি পাতায় কার্বজোল আলকালয়েড থাকে যা ডায়রিয়ার চিকিত্সায় প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। ১০.অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং অ্যালকালয়েড রয়েছে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল নালীর পক্ষে এবং পাচনতন্ত্র উন্নত করার ক্ষেত্রে এটি বেশ ভালো। ১১.চুলের রঙের উন্নতিতে সাহায্য করে।
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে। ০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়। ০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়। ০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে। ০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। ০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়। ০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়। ০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী। ০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে। ১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
গোলাপের পাপড়ি গুড়া /Rose Petal Powder(Regular)100gram
৳ 180.00
স্পর্শকাতর ত্বক সুন্দর রাখার প্রথম শর্তই হচ্ছে বিশেষ যত্ন নেওয়া। গোলাপের পাপড়িচূর্ণ মূলত ফেস মাস্ক হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়। শুকনা গোলাপ ফুলের পাপড়িচূর্ণ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে। দূর করে ত্বকে থাকা নানা রকম দাগ।ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে ব্যবহার করুন গোলাপের পাপড়ি গুড়া গোলাপ পাপড়ি গুড়ার গুনাগুন/ব্যবহারঃ *ত্বকের কোমলতা বাড়াতে *ময়েশ্চারাইজার হিসেবে *ব্রণ দূর করতে *ডার্ক সার্কেল দূর করতে *সানস্ক্রিন হিসেবে *হাতের যত্নে *চুলের যত্নে *ক্লিনজার/টোনার হিসেবে
Proteins Powder/প্রোটিন পাউডার(Regular) /250 gram
৳ 400.00
সুস্থ থাকতে মানুষের দেহের প্রতি কিলোগ্রাম ওজনের জন্য দশমিক ৮ গ্রাম করে প্রতিদিন প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দেয় স্বাস্থ্যবিজ্ঞান। এ ক্ষেত্রে প্রোটিনের অভাব পূরণ করে দিতে পারে প্রোটিন পাউডার। উপাদানঃ কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট, পেস্তাবাদাম ,চিয়াসিড এর মতো আরও ৯টি উপাদান দিয়ে তৈরি। উপকারিতাঃ ১.আনহেলদি মাসল কে শক্তিশালী রিহেলদি মাসল এ পরিনত করে ২.রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বর্ধায়ক ৩.মাসল জয়েন্ট স্ট্রং করে ৪.পুরুষের শারীরিক শক্তি বর্ধায়ক ৫.ক্লান্তিবোধ দূর করে ৬.শারীরিক গ্রোথ বৃদ্ধি করে ৭.হার্টের সুস্থতায় কার্যকরী
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
৳ 160.00
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন - *কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই *বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে *ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন *স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন *ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন *এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে * লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram
৳ 200.00
শুধু ত্বকের যত্নে নয় মুলতানি মাটি দিয়ে কেশ পরিচর্যাও করা যায় রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার বহুদিনের। এতে আছে তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা যা ত্বকে সতেজবভাব আনে। এর ম্যাগ্নেশিয়াম ক্লোরাইড ত্বক ঠাণ্ডা ও মসৃণ রাখে। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি মুলতানি মাটি চুল ও মাথার ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। মুলতানি মাটির গুনাগুনঃ *শরীর এক্সফলিয়েট করতে: সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার। বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে। *তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি তেল শুষে নেয়। তাই এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন। *দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না। পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। *চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত। *শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি। মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত। এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান। সোনা পাতার উপকারিতাঃ *কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। *গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। *কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি) *পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক । *ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়) *স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে। *উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। *রুচি বৃদ্ধি করে। *বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক, *চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। *পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি। ব্যবহার/সতর্কতাঃ অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়। সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি: সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে। এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে


Reviews
There are no reviews yet.