
শিমুল মুল গুড়া /Shimul root powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
শিমুল একটি অতিপরিচিত গাছ।শিমুল মূল পুরুষদের যাবতিও যৌন সমস্যা দূর করে মনে কে শতেজ করে যৌন জীবনকে সুখি করে শরীরে স্বাভাবিক যৌন শক্তি যোগায়,জিন সিং যে কাজ করে শিমুল মূলও ঐ একই কাজ করে। এছাড়াও এই গাছের রয়েছে নানারকম ঔষধি গুণ। ভেষজ চিকিৎসা কাজে এই গাছের আছে নানবিধ ব্যবহার।
গুনাবলীঃ
*যাদের যৌন ক্ষমতা কম তারা এই গাছের মূলের চূর্ণ খেলে এই সমস্যা দূর হয়ে যায়।
*পুরুষের শারীরিক দুর্বলতা যৌন দুর্বলতা শুক্রতারল্য দ্রুত বীর্যপাত এক কথায় সুস্থ যৌন জীবনের জন্যে শিমুল মূল কার্যকরী
*জন্ডিস ,মহিলাদের লিকুরিয়া জন্যে ভাল কাজ করে,
*শিমুল মূলের গুড়া- শুক্রবর্ধক, প্রদর ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে কার্যকর।
* বলকারক, কামোদ্দীপক, মলরোধক।
*মেছতা, উদরাময় ও অতিরিক্ত রক্তস্রাবে উপকারী।
তবে সাথে সাথেই এর ফল পাবেন না ধীরে ধীরে পাবেন কমপক্ষে ১ মাস খেলে ফল পাবেন
খাবার নিয়মাবলিঃ
রাতে ১ চামচ গুড়া আধা গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন, সকালে শুধু পানি টুকু খাবেন ও নিচে জমানো অংশ ফেলে দিবেন। একই প্রনালী তে রাতেও খাবেন,অথবা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “শিমুল মুল গুড়া /Shimul root powder(Regular)100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
মেথি গুঁড়া/Fenugreek powder(Regular)100 gram
৳ 150.00
মেথি একটি ঔষধি যা রন্ধনের একটি উপাদান। এর উৎস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ ইউরোপ এবং পশ্চিম এশিয়ার কিছু অংশ। চিকিৎসায়, বিশেষত আয়ুর্বেদ চিকিৎসায়, এর অসাধারণ গুণের জন্য মেথি ব্যবহৃত হয়। মেথি গুঁড়ার গুনাগুনঃ *রক্তের শর্করার মাত্রা হ্রাস করে *দেহের ওজন হ্রাসে সহায়তা করে *মহিলাদের ক্ষেত্রে উপকারিতা-মাসিকের ব্যাথা, পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম *ব্যায়ামের কার্যকারিতা উন্নত করে *পাকস্থলীর পক্ষে উপকারী *সন্ধি-বাতের উপসর্গ থেকে আরাম দেয় *হজমের সমস্যা দূর করে যেমন ক্ষুধাহীনতা, পেটে গন্ডগোল, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটের ব্যাথা.
Curry leaves Powder/কারিপাতা পাউডার(Regualr)/100 gram
৳ 250.00
কারি পাতার বহু গুণ আছে, এটা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি কান্সার ।রান্নায় এই পাতার ব্যবহার হয় | Benefits of Curry leaf powder: ১.বদহজম, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য পেটের সমস্যার থেকে ত্রাণ পেতে সাহায্য করে। ২.ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো খাবার। এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ৩.শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আপনার শরীরকে চর্বিমুক্ত করতে সাহায্য করে। ৪.পিত্তজনিত বমিতে কারি পাতা একটি বিস্ময়কর প্রতিকার হতে পারে। ৫.অস্বস্তি এবং সকালে অসুস্থতা কমানোর জন্য গর্ভবতী নারীদের পক্ষে এটি সত্যিই কার্যকর হতে পারে। ৬. কেমোথেরাপি এবং বিকিরণ থেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমাতে সাহায্য করে। ৭.চুলের অকালপক্বতা প্রতিরোধ করে। ৮.দৃষ্টিশক্তি উন্নতিতে সহায়ক হয়। চোখের ছানি প্রতিরোধ করতে পারে। ৯.ডায়রিয়ার জন্য ভাল প্রতিকার। কারি পাতায় কার্বজোল আলকালয়েড থাকে যা ডায়রিয়ার চিকিত্সায় প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। ১০.অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং অ্যালকালয়েড রয়েছে। গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল নালীর পক্ষে এবং পাচনতন্ত্র উন্নত করার ক্ষেত্রে এটি বেশ ভালো। ১১.চুলের রঙের উন্নতিতে সাহায্য করে।
সজনে পাতার গুড়া/Sajane leaf powder(Regular)100 gram
৳ 210.00
সজিনার ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে। ০১. সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়। ০২. সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়। ০৩. পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ০৪.সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে। ০৫.সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। ০৬. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয়। ০৭. পোকার কামড়ে এন্টিসেপ্টিক হিসেবে সজিনার রস ব্যবহার করা হয়। ০৮. ক্ষতস্থান সারার জন্য সজিনা পাতার পেস্ট উপকারী। ০৯. সজিনা শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্য, ভারি ধাতু অপসারণ এবং শরীরে রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপি নিতে সহায়তা করে। ১০.সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ১১. শ্বাসকষ্ঠ, মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে ১ বা তার কম চা চামচ ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানি বা দুধের সাথে মিক্স করে ফিল্টার করে খেতে হবে।
Conch powder/শঙখ গুঁড়া(Regular)100 gram
৳ 180.00
সৌন্দর্য চর্চায় শঙ্খের মত কার্যকরী উপাদান খুব কমই আছে। শঙ্খ গুড়া আপনাকে ব্রণ বিহীন ত্বক থেকে শুরু করে ইনস্ট্যান্ট ফেয়ারনেস পর্যন্ত দিতে সক্ষম। চুলের যত্নে: শঙ্খ গুড়া সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখা পানির সাথে গোলাপজল মেশান। এই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। আপনার চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় থাকবে আর চুল থাকবে মসৃণ। ত্বকের যত্নে: ১.সারারাত ধরে ভিজিয়ে রাখা পানি দিয়ে প্রতিদিন সকালে আপনার ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এটা বিভিন্ন চর্মরোগ, র্যাস, আল্যারজি সারাতে সাহায্য করে। ২.ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে ও রিঙ্কেল দূর করতে প্রতিদিন গোসলের সময় শঙ্খ গুঁড়া আর সমপরিমাণ মুলতানি মাটি পানিতে মিশিয়ে মুখে আর ঘাড়ে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ৩.শঙ্খ গুঁড়া গোলাপ জলের সাথে পরিমাণ মত মিশিয়ে চোখের নিচে সাবধানে লাগান। শুকিয়ে যাওয়ার আগেই আবার ধুয়ে ফেলুন। আপনার চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর হয়ে যাবে। ৪.আপনার বিভিন্ন প্যাকের সাথে এক চিমটি করে শঙ্খ গুঁড়া যোগ করে তারপর ব্যবহার করুন। ত্বকের কালো ভাব দূর হওয়ার সাথে সাথে ব্রণের উপদ্রপও দূরে থাকবে। শঙ্খ গুঁড়া ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে। ৫.মিহি করে বাটা আধা চামচ চালের গুঁড়ার সাথে সমপরিমাণ শঙ্খ গুঁড়া মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে মুখে লাগান। শুকিয়ে গেলে হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। ভালো স্ক্রাবের সাথে সাথে এটা আপনার সানট্যান দূর করে আপনাকে দেবে ফর্সা ত্বক। ৬.সানট্যান, ব্রণের দাগ ও শ্যামলা ত্বক থেকে মুক্তি পেতে জন্য আধা চামচ মুলতানি মাটি, আধা চামচ শঙ্খ গুঁড়া, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া আর আধা চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগাতে পারেন। খুব দ্রুত ফল পাবেন। সতর্কতা: সবসময় মনে রাখবেন শঙ্খ গুঁড়া কখনই সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করবেন না। এটা খুব সুক্ষ পাউডার হলেও এতে আপনার ত্বক কেটে যেতে পারে। যাদের ত্বক সংবেদনশীল তারা এটা ব্যবহার না করলেই ভালো করবেন। সবসময় শঙ্খ গুঁড়া সমপরিমাণ মুলতানি মাটি, বেসন বা চালের গুঁড়ার সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে শঙ্খ গুঁড়ার কার্যকারিতা কমে যাবে না।
Orange Peel Powder/কমলার খোসা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 230.00
কমলা যেমন আমাদের দেহের জন্য উপকারি তেমনি এর খোসাও । কমলার খোসা দিয়ে অনায়াসে ত্বক ও চুলের যত্ন নেয়া যায়। নিয়মিত কমলার খোসা গুড়া ব্যবহারের মাধ্যমে আপনাদের ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও লাবন্যময়। কমলালেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা, কাশি বা অ্যাজমার সমস্যা ও লিভারসহ নানা সমস্যা থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে পারে। এর ব্যবহারের কথা তুলে ধরা হলো : ত্বকের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া তেলের সঙ্গে মিশিয়ে স্ক্রাবার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ২.চালের গুঁড়া, দই ও কমলার খোসা তিনটি জিনিস মিশিয়ে আলতোভাবে মালিশ করলে ব্ল্যাকহেডস দূর হবে। ৩.ব্রণের সমস্যা কমাতে কমলার খোসার গুড়ার পেস্ট ব্যবহার করুন। ৪.স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা গুড়া ব্যবহার করে দেখুন, মরা চামড়া সরে যাবে, ত্বক নরম হবে। ৫.খোলা লোমকূপের সমস্যা ধীরে ধীরে সমাধান হবে। ৬.ত্বকে অমসৃণভাবে কালো দাগের সমস্যা থাকলে ময়দা ও কমলার খোসা মিশিয়ে মালিশ করুন কিছুক্ষণ। চলে যাবে। ৭.যেকোনো প্যাকের সঙ্গেও কমলার গুড়া মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক উজ্জ্বল হবে। ৮.রোদে পোড়া ভাব দূর করতে দুধ অথবা দইয়ের সঙ্গে কমলার খোসা মিশিয়ে নিতে পারেন। ৯.চকচকে ভাব আনতে নখে ঘষুন। ১০.বলিরেখা কমিয়ে আনতেও এর জুড়ি মেলা ভার। চুলের জন্যঃ ১. কমলার খোসা গুড়া ২/৩ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। তিনটি কাজ হবে—চুল পরিষ্কার, খুশকি দূর ও চুল নরম করা। যেটা করবেন না 1. কমলার খোসা ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করলে এর গুণাগুণ কমে যায়। 2. কমলার খোসা বেশি দিন শুকিয়ে রেখে দিলে ছত্রাক জন্মাতে পারে। 3. কমলার খোসা বা প্যাক ব্যবহার করার পর বেশ কিছুক্ষণ রোদে যাওয়া যাবে না, ত্বক রোদে পুড়ে যাবে। 4. যাদের ত্বক সংবেদনশীল, কমলার খোসাকে দূরেই রাখুন। কারণ অ্যালার্জি হতে পারে।
যষ্টিমধু গুড়া /Licorice Powder(Regular)100gram
৳ 160.00
যষ্টিমধু মূলত গাছের শিকড়। আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে, পৃথিবীতে যত ওষুধ তৈরি হয়, তার প্রায় প্রতিটিতে যষ্টিমধু দেওয়া হয়।ঔষধির বহুগুনে গুনাম্বিত এই যষ্টিমধু। যষ্টি মধু খেলে বেশি যে উপকারটুকু পাবেন তাহল আমাদের সাড়াদিন চলার পথে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে কন্ঠ নালীতে যে ধুলাবালি গুলো জমা হয় তা পরিস্কার করতে সাহায্যে করে যষ্টিমধু গুড়ার গুনাগুন - *কাশি, গলাব্যথা কমাতে যষ্টিমধুর তুলনা নেই *বুকে জমে থাকা কফ পরিষ্কার করে মুখের দুর্গন্ধ দূর করে *ফুটানো পানিতে যষ্টিমধু ভিজিয়ে ঠাণ্ডা করে ওই পানির ভেতর মধু দিয়ে পান করুন, এসিডিটিতে উপকার পাবেন *স্মৃতিশক্তি বাড়াতে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধুর গুঁড়া মিশিয়ে পান করুন *ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ করতে যষ্টিমধু ও ঘি মিশিয়ে ব্যবহার করুন *এছাড়া ত্বকের বলিরেখা, ব্রণ ও দাগ দূর করে, তারুণ্য ধরে রাখে * লিভার বা যকৃতকে সুরক্ষা করে খাবার নিয়মাবলিঃ সকালে খালি পেটে হালকা কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ যষ্টিমধু গুড়া ১ গ্লাস বা তার সমপরিমাণ পানিতে ৩০-৪০ মিনিট ভিজিয়ে ফিল্টার করে বা ফিল্টার ছাড়া খেতে হবে
Cinnamon Powder(Regular)/100 gram
৳ 200.00
একটি মজাদার, সুস্বাদু এবং আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভেষজ মসলা উপাদান।এটা অনেক মূল্যবান শুধুমাত্র এর ঔষধি গুনাগুন রয়েছে । Benefits of Cinnamon: ১. দারুচিনিতে পাওয়ারফুল আ্যন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ২. ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রনে রাখে। ৩.ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৪.হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় । ৫.মুখের দুর্গন্ধ দূর করে । ৬.আ্যসডিটি দূর করে । ৭.ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রন করে ,টাইপ ২ ডায়াবেটিসের জন্য এটা খুব উপকারি। ৮. হরমোন ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা উন্নত করে । ৯. হজমের সমস্যা দূর করে । ১০.শরীরে যে কোন ব্যাক্টেরিয়াল ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করে । ১১.ত্বক সুন্দর রাখে ,উজ্জ্বলতা বাড়ায় । ১২.ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় । ১৩.মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে । ১৪.সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দূর করে । ১৫.বাতের নিরামক হিসেবে কাজ করে । ১৬. HIV ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে । ১৭.শরীরে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং টিস্যুগুলির ক্ষতি মেরামত করতে সহায়তা করে। ১৮.নিউরোডিজেনারেটিভ রোগগুলিতে দারুচিনি উপকারী প্রভাব ফেলে ।
Lentils Powder/মসুর ডাল গুড়া/(Regular)/100 gram
৳ 100.00
মসুর প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি ডাল। মসুর ডালে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন এ-সি-ই-কে ও থায়ামিন। ত্বকের যত্নে মসুর ডাল গুড়ার ব্যবহার : ১.মসুর ডাল গুড়া ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+গোলাপ+লাল চন্দন+পুনর্নভা গুড়া মিশিয়ে প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন। ২.মসুর ডাল খুব ভালে স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করে। মসুর ডাল+কমলা খোসা+চালের গুড়া+মধু/কাঁচা দুধ মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৩.ত্বক উজ্জল করার পাশাপাশি মসুর ডাল গুড়া ফেইস ওয়াশ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। মসুর ডাল+মুলতানি মাটি+কস্তুরি হলুদ গুড়া একসাথে মিশিয়ে মুখে ১ মিনিট ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বকের সব ময়লা দূর হয়ে যাবে। ৪.মৃতকোষ দূর করতেও এটি বেশ কার্যকরি। মসুর ডাল+আমলকি+মেথি+কস্তুরি হলুদ+নিম গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। ৫.দাগ দূর করতে মসুর ডাল অনেকটা জাদুকরি। মসুর ডাল+মন্জিষ্ঠা+কস্তুরি হলুদ+দারচিনি+মুলতানি মাটি গুড়া মিশিয়ে ব্যবহার করবেন। মসুর ডাল প্রায় সবার ঘরেই থাকে। তাই এটি খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকের যত্নে ব্যবহার করে আপনার ত্বককে করে তুলুন উজ্জ্বল, মসৃন ও দাগহীন।


Reviews
There are no reviews yet.