
মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram
৳ 200.00
শুধু ত্বকের যত্নে নয় মুলতানি মাটি দিয়ে কেশ পরিচর্যাও করা যায়
রূপচর্চায় মুলতানি মাটির ব্যবহার বহুদিনের।
এতে আছে তেল শুষে নেওয়ার ক্ষমতা যা ত্বকে সতেজবভাব আনে।
এর ম্যাগ্নেশিয়াম ক্লোরাইড ত্বক ঠাণ্ডা ও মসৃণ রাখে। ত্বক ভালো রাখার পাশাপাশি মুলতানি মাটি চুল ও মাথার ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
মুলতানি মাটির গুনাগুনঃ
*শরীর এক্সফলিয়েট করতে: সারা শরীর থেকে ময়লা, জীবাণু ও ঘাম দূর করতে আলতোভাবে এক্সফলিয়েট করা দরকার।
বিশেষ করে ঘাড়, বগল, হাঁটু, কনুই ইত্যাদি। মুলতানি মাটির সঙ্গে পানি ও চাইলে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে শরীর স্ক্রাব করুন। মৃত কোষ দূর হয়ে যাবে।
*তৈলাক্ত ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি তেল শুষে নেয়। তাই এটা তৈলাক্ত ত্বকে চমৎকার করে। তবে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল শুষে নেয় না বলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।
ত্বকের উন্মুক্ত লোমকূপের সমসা দূর করতে মুলতানি মাটির সঙ্গে টমেটোর রস মিশিয়ে নিন।
*দাগ ছোপ দূর করে: দাগ দূর করতে মুলতানি মাটির চেয়ে ভালো কাজ অন্য কোনো উপাদান করে না।
পানির সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে সম্পূর্ণ মুখ অথবা আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
*চুলের মাস্ক: মুলতানি মাটি খুব ভালো পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকের ময়লা দূর করতে ও সজীবভাব ধরে রাখতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি।
এটা সম্পূর্ণ চুলেও ব্যবহার করা যায়। ফলে চুল হয় আর্দ্র ও প্রাণবন্ত।
*শুষ্ক ত্বকের মাস্ক: মুলতানি মাটি শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকেও ব্যবহার করা যায়। ত্বকের নির্জীবভাব ও ‘পিগ্মেন্টেইশন’ দূর করতে সহায়তা করে মুলতানি মাটি।
মধু ও মুলতানি মাটি একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
Category: Herbs
Reviews (0)
Be the first to review “মুলতানি মাটি/Multani soil(Regular)100 gram” Cancel reply
Shipping & Delivery
The product will reach Within 3 days in Dhaka And outside Dhaka within 5 days.
Related products
Ritha powder/রিঠা গুড়া(Regular)/100gram
৳ 200.00
রিঠা একটি ফল কিন্তু খাদ্যোপযোগী নয়; নানা কাজে এর ব্যবহারের উপযোগিতা রয়েছে। যখন কোনো সাবান আবিষ্কৃত হয়নি, তখন রিঠার পাতা ও ফল সাবানের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হতো। বীজ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ফেনা হয়। উলের তৈরি পোশাক পরিষ্কারের জন্য এই ফেনা উত্তম। বিউটি পারলারগুলোতেও শ্যাম্পুর বিকল্প হিসেবে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহূত হতে দেখা যায়। Benefits of Ritha Powder: ১. চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ২.চুলের গোড়া শক্ত করে। ৩.চুলের ফ্রিজি ভাব কমিয়ে ধীরে ধীরে চুলকে স্ত্রেইট করে তোলে। ৪. চুল সিল্কি ও মসৃণ করে। ৫. খুশকি, উকুন দুর করে। ৬.মৃগী, হাঁপানি ও মূর্ছাসহ আরও অনেক রোগে ব্যবহার্য।
Pumpkin Seed/কুমড়া বীচি(Regular)/250 gram
৳ 400.00
কুমড়ো বীজ খুবই উপকারী! কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, প্রোটিন, জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, কপার, ফসফরাসের মতো একাধিক উপাদান। ১০০ গ্রাম কুমড়ো বীজ থেকে ৫৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। শর্করার বিকল্প হিসেবে কুমড়ো বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়োর বীজ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই নয়, রূপচর্চাতেও কুমড়োর বীজ অত্যন্ত কার্যকরী! কুমড়োর বীজের গুণ: ১. ওজন কমাতে সাহায্য করে । ২.জিংকসমৃদ্ধ প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ। এটি হাড়ক্ষয় রোধ করে। ৩.ফাইটোস্টেরলের এক বিশেষ উৎস হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ৪.এতে রয়েছে প্রচুর জিংক। মিষ্টি কুমড়ার বীজ খাওয়ার মাধ্যমে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া সবল শিশু জন্মসহ বিভিন্ন রোগ নিবারণ করে। ৫.এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, জিংক ও ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। মিষ্টি কুমড়ার বীজ থেকে উৎপন্ন তেল প্রোস্ট্রেট গ্রন্থির টিউমার নিয়ন্ত্রণ করে। ৬.কুমড়োর বীজে রয়েছে ট্রিপ্টোফ্যান নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড যা সুখানুভূতি সৃষ্টিকারী হরমোনের নিঃসরণে সহায়তা করে এবং একই সঙ্গে মেলাটোনিন আর সেরোটোনিন নিঃসৃত হতে সহায়তা করে যা অবসাদ কাটিয়ে শরীর, মন তরতাজা করে তুলতে সাহায্য করে। ৭.এতে প্রচুর আয়রন আছে। প্রতিদিন ৩৫ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ খেলে দৈনিক চাহিদার প্রায় ৩০% পূরণ হবে। লৌহঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে মিষ্টি কুমড়ার বীজ। ৮.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড যা সিবাম নামক তেলের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখে। ৯.শোবার আগে কয়েকটি কুমড়োর বীজ খাওয়া আপনাকে আরও ভালভাবে ঘুমাতে সহায়তা করতে পারে। ১০.কুমড়োর বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, সালফার, জিংক, ভিটামিন এ, বি আর ভিটামিন-কে যা চুল ও মাথার ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই উপাদানগুলি চুলকে উজ্জ্বল ও ঘন করে তুলতে সাহায্য করে।
ত্রিফলা গুড়া/Triphala powder(Regular)100gram
৳ 150.00
Benefits of Triphala powder: ১. ত্রিফলা অন্ত্রের টনিক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে । ২. টাইপ 2 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে । ৩.ওজন হ্রাস করে । ৪.ত্রিফলা স্ট্রেস উপশম করে । ৫.গ্যাসকে হ্রাস করে এবং হজমকে উৎসাহিত করতে পারে । ৬.দাঁতের মাড়ির রোগ এবং গহ্বর প্রতিরোধ করে। ৭.বার্ধক্যজনিত চোখের রোগের বিকাশকে ধীর করতে বা আটকাতে পারে। ৮.মাউথওয়াশ তৈরির জন্য ত্রিফলা পানিতে মিশ্রিত করা যেতে পারে। ৯.নারকেল বা জোজোবা তেলের সাথে স্ক্যাল্প এবং চুলের চিকিৎসার জন্য মিশ্রিত করা হয়। মিথস্ক্রিয়া: সতর্কতা হিসাবে, আপনি যদি ডায়াবেটিস এবং হাই ব্লাড প্রেসারের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ওষুধ গ্রহণ করেন তবে আপনি ত্রিফালা এড়াতে চাইতে পারেন কারণ এটি তাদের কার্যকারিতা হ্রাস করতে পারে।
অশ্বগন্ধা গুড়া /Ossogondha powder(Regular)100 gram
৳ 400.00
আপনি যদি আয়ুর্বেদ চিকিৎসা করে থাকেন বা বিকল্প চিকিৎসায় বিশ্বাসী হন, তাহলে বহুবার অশ্বগন্ধার নাম শোনার সম্ভাবনা আছে। আর কেনই বা নয়? অশ্বগন্ধা হচ্ছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়ুর্বেদী ভেষজ। মানসিক চাপের উপসর্গ বা দুশ্চিন্তার উপসর্গ কমাতে সাধারণ ভেষজের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা বেশি ব্যবহৃত হয়। অশ্বগন্ধা গুড়ার গুনাগুনঃ *অকাল বার্ধক্য বৃদ্ধির প্রক্রিয়া রোধ করে *সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা বাড়ায়। *যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করে শুক্রাণু বৃদ্ধির কাজে, *ভ্যাজাইনাইটিস রোগের প্রতিকারে এবং স্তন বিকাশের প্রযোজনে অশ্বগন্ধাকে ব্যবহার করা হয়। *অশ্বগন্ধা আর্থারাইটিস, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, আলসার, ক্যান্সার, দুর্বলতা, অনিদ্রা, গ্যাসট্রোইন্টেস্টিনাল সমস্যা, ডায়াবেটিস, স্নায়ুবৈকল্য, কোষ্ঠকাঠিন্য, বার্ধক্যজনিত স্মৃতিবিভ্রাট ইত্যাদি সারাতে বা নিযন্ত্রণ করতে পারে। *কেমোথেরাপি রোগীদের জন্যও উপকারী।
সোনা পাতা গুড়া/Gold leaf powder(Regular)100 gram
৳ 140.00
হাদীসে তিব্বে সানা সানূত (সানা মক্কী) নামে একটি বিষয় এসেছে। যা আমাদের দেশে সোনা পাতা নামে পরিচিত। এটি মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরি একটি উপাদান। সোনা পাতার উপকারিতাঃ *কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। *গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। *কৃমিনাশক (কৃমি সমস্যার জন্য অত্যান্তকার্যকারি) *পাইলস এর প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক । *ব্ল্যাকম্যাজিক (কালোযাদু) এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ( এ ক্ষেত্রে রোগিকে রুকিয়া করা সানা পাতা/সোনামুখী পাতার রস খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়) *স্থুলতা কমাতে সাহায্য করে। *উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। *রুচি বৃদ্ধি করে। *বাত, আরথ্রাইটিস এর প্রতিষেধক, *চর্মরোগ (ব্রন, একজিমা ইত্যাদির) এর প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। *পেটের বর্জ্য পরিষ্কার করে। ইত্যাদি…এছাড়াও অন্যান্য রোগের ক্ষেত্রে খুবই উপকারি। ব্যবহার/সতর্কতাঃ অনেক গবেষকরা অস্ত্রের প্রদাহ,আলসার,এপেন্ডিসাইটিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে সোনাপাতা না খাওয়াকে উত্তম মনে করেন। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলা এবং ৫ বছরের নিচের বাচ্চাদের এ হাবস ব্যবহার করা উচিত নয়। সোনাপাতা সেবনের পদ্ধতি: সোনাপাতা গুড়া ১ বা দের চামচ এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে,সকালে খালি পেটে চায়ের মত খেতে হবে। এটা খাবার পর রোগি তার অন্ত্রে একটু ঢিলেঢালা ভাব অনুভব করবেন। এর কার্যকারিতা টের পাওয়া যাবে ৭ ঘন্টার মধ্যে এবং প্রায় ২০-২২ ঘন্টার মতন এর কার্যকারিতা থাকবে
Neem leaf powder/নিম পাতা গুড়া(Regular)/100 gram
৳ 200.00
প্রাকৃতিক উপায়ে পরিশোধিত গাছের শুকনো নিম পাতা দিয়ে তৈরি। নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। উপকারিতা ও ব্যবহারবিধি- ১.নিম পাতা ফাঙ্গাস ও ব্যাকটেরিয়া বিরোধী। তাই ত্বকের সুরক্ষায় এর জুড়ি নেই। ব্রণের সংক্রমণ হলেই নিম পাতার গুড়ার পেস্ট ব্রণের উপর লাগালে ভালো ফল নিশ্চিত। ২.নিয়মিত নিম পাতার সাথে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিনটোন ঠিক হয়। ৩.নিজেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে নিম চা এর তুলনা হয় না! শুকনো নিম পাতা গুঁড়ো গরম পানিতে ছেড়ে ১ মিনিট জ্বাল দিয়ে মধু মিশিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় সুমিষ্ট নিম চা। ৪.নিম পাতার গুড়া সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে দিনে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। ৫.দৈনিক নিমপাতার গ্রহণ করার ফলে শরীর থেকে জীবাণু মুক্ত থাকবে। তাই প্রতিদিন নিম গ্রহণ করতে পারেন। ৬.নিমপাতা গুড়া দিয়ে ঘরে টোনার, ফেসপ্যাক তৈরি করে নিয়ে ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন। এটি খুব কম সময়ের মধ্যেই আপনার ত্বককে সুস্থ এবং সুন্দর করে তুলতে সহায়তা করবে। ৭.ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হজম সংক্রান্ত সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এ ধরনের সমস্যা গুলোর ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ৮. চুলের সমস্যার ক্ষেত্রে ও নিমপাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে। চুলকে উজ্জ্বল এবং স্বাস্থ্য সম্মত করে তোলার জন্য চুলে নিম পাতার গুড়া দিয়ে ,নিম পাতার প্যাক কিংবা নিমপাতা দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে সিরাম তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। ৯.ত্বক পরিচর্যার ক্ষেত্রে নিম পাতা গুড়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ত্বকের যেকোনো ধরনের সমস্যা যেমন ব্রন, ফুসকুড়ি ইত্যাদি সমস্যাগুলির ক্ষেত্রে নিম পাতার গুড়া ব্যবহার করা যেতে পারে।
Amlaki Powder(Regular)/100 gram
৳ 180.00
Benefits of Amlaki Powder: ১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে। ২. আমলকি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িত ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৩. প্রতিদিন সকালে আমলকি পাউডারের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৪. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি পাউডার ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। ৫.আমলকি পাউডার এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। ৬. আমলকি কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকি উপকারী। ৮.প্রতিদিন আমলকি পাউডার খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো, মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী পাউডারের সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন। ৯.ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে। ১০. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকি মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
Haratki Powder/হরতকি পাউডার(Regular)/100 gram
৳ 150.00
আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের একটি হরতকি। এর স্বাদ তিতা।এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটো ও বিটা সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। Benefits of Hartaki Powder: ১.হরতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। ২.কন্সটিপেশন দূর করে হরিতকি। ৩.অ্যালার্জি দূর করতে হরতকি বিশেষ উপকারী। ৪.রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির পাউডার মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে। ৫.হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে। ৬.গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন। ৭.দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি পাউডার লাগান, ব্যথা দূর হবে। ৮.হরতকির পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। ৯.দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। ১০.হৃদপিণ্ড ও অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। ১১.স্নায়ুবিক দুর্বলতা হ্রাস করে।


Reviews
There are no reviews yet.